ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিলো ডিএনসিসি Logo মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু Logo ৪২৫ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ Logo নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোডম্যাপ  তৈরিতে ইউনেস্কোর সহায়তা কামনা তথ্যমন্ত্রীর Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ বিষয়ে রূপরেখা পর্যালোচনা Logo যশোরের তারাগঞ্জ থেকে ৯০০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি Logo মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা….স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত Logo চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ৫০০  হাসপাতালে মোতায়েন হচ্ছে ১০ জন করে আনসার….স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত Logo বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কোরাল মাছের হ্যাচারি প্রযুক্তি দেশের মাছের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় শক্তিশালী অবদান রাখবে

বৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৯০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে সিবাছ (কোরাল) মাছ চাষ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও মাছের সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি নতুন ও সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

আজ সন্ধ্যায় কক্সবাজারের কলাতলিতে অবস্থিত আধুনিক গ্রীন হাউজ মেরিকালচার হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন , “আমি দেখে খুব খুশি হয়েছি যে একেবারে কোন মাছ থেকে ডিমের উৎপাদন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। একটি হ্যাচারি হিসেবে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে আশার কথা হলো—এই মাছচাষ শুধু কক্সবাজারের মত উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়, উত্তরবঙ্গের মতো অঞ্চলগুলোতেও এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার মেরিকালচার (সামুদ্রিক মৎস্য চাষ) প্রসারে বিভিন্নভাবে সহায়তা করবে, তবে বেসরকারি খাতের উদ্যোগই হবে মূল চালিকাশক্তি। যত বেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা যুক্ত হবে, তত বেশি প্রযুক্তি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈজ্ঞানিক মাছ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, এ ধরনের আধুনিক ও টেকসই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এটি শুধু সরকারের একটি স্বপ্ন নয়, বরং দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথমবারের মত সামুদ্রিক কোরাল মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য অর্জন করেছে কক্সবাজারের ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি। এর ফলে ভবিষ্যতে পুকুরে সামুদ্রিক কোরাল মাছ চাষের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কোরাল মাছের পোনা উৎপাদন সংক্রান্ত এ গবেষণার কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর সব ধরনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিলো ডিএনসিসি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কোরাল মাছের হ্যাচারি প্রযুক্তি দেশের মাছের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় শক্তিশালী অবদান রাখবে

বৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আলী আহসান রবি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে সিবাছ (কোরাল) মাছ চাষ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও মাছের সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি নতুন ও সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

আজ সন্ধ্যায় কক্সবাজারের কলাতলিতে অবস্থিত আধুনিক গ্রীন হাউজ মেরিকালচার হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন , “আমি দেখে খুব খুশি হয়েছি যে একেবারে কোন মাছ থেকে ডিমের উৎপাদন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। একটি হ্যাচারি হিসেবে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে আশার কথা হলো—এই মাছচাষ শুধু কক্সবাজারের মত উপকূলীয় এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়, উত্তরবঙ্গের মতো অঞ্চলগুলোতেও এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছ উৎপাদন বাড়বে এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার মেরিকালচার (সামুদ্রিক মৎস্য চাষ) প্রসারে বিভিন্নভাবে সহায়তা করবে, তবে বেসরকারি খাতের উদ্যোগই হবে মূল চালিকাশক্তি। যত বেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা যুক্ত হবে, তত বেশি প্রযুক্তি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈজ্ঞানিক মাছ উৎপাদন নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, এ ধরনের আধুনিক ও টেকসই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এটি শুধু সরকারের একটি স্বপ্ন নয়, বরং দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথমবারের মত সামুদ্রিক কোরাল মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য অর্জন করেছে কক্সবাজারের ‘গ্রিন হাউজ মেরিকালচার’ হ্যাচারি। এর ফলে ভবিষ্যতে পুকুরে সামুদ্রিক কোরাল মাছ চাষের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কোরাল মাছের পোনা উৎপাদন সংক্রান্ত এ গবেষণার কার্যক্রমে মৎস্য অধিদপ্তর সব ধরনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।