ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে: মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার Logo ডিএমপির মার্চ-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ সভায় শ্রেষ্ঠ হলেন যারা Logo ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের মূল হোতা গ্রেফতার Logo গাজীপুরে বিজিবি ও প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ফিলিং স্টেশনে তেলের গরমিল; ২০ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী Logo বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এর বৈঠক Logo সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন – হজ টিমের সদস্যদের প্রতি  ধর্মমন্ত্রী। Logo কক্সবাজারের রামুতে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ চালককে আটক করেছে বিজিবি Logo ডিএসসিসির উদ্যোগে ফুলে ভরে উঠলো ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের ফুটপাত; দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণে সকলের সহযোগিতা চাইলেন প্রশাসক Logo সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মা’ — সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী
চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতির উৎসব, সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলা ঐক্য, সহাবস্থান ও সংস্কৃতির বন্ধনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় নতুন বছর সাজানোর আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সেতুবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার  (সাংঘিক) প্রাঙ্গণ। ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ স্লোগানে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে বৌদ্ধ বিহার   পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অবিনাশী প্রতীক। প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র সকলে সম্মিলিত ও সামাজিকভাবে সাম্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সহাবস্থানে থেকে দেশকে সবার আগে রাখা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই নীতিই হলো আমাদের জাতীয় ঐক্যের শক্তি। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্প্রীতিই আমাদের আগামীর সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র যুব ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জে বি এস আনন্দবোধি স্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বৌদ্ধ পণ্ডিত ও গবেষক অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাস্থবির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। সৌরভ প্রিয় পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত ধর্মবোধি স্থবির ও ভদন্ত প্রিয়বোধি ভিক্ষু।

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে অপু চৌধুরী আকাশ, বাবু সুশীল বড়ুয়া ও আইনজীবী সত্যজিৎ বড়ুয়া।

আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলা নববর্ষ কেবল একটি ঋতু বদলের উৎসব নয়, এটি বাঙালির সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক পরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ। বৌদ্ধ বিহারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সর্বজনীন আয়োজন সমাজে শান্তি, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে আরও সুদৃঢ় করবে।

সকাল থেকেই চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার এলাকা বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও ঐক্য বজায় রাখতে  ভবিষ্যতেও এই ধরনের সম্প্রীতিমূলক উৎসবের ধারা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে: মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতির উৎসব, সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলা ঐক্য, সহাবস্থান ও সংস্কৃতির বন্ধনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় নতুন বছর সাজানোর আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৪:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আলী আহসান রবি : বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সেতুবন্ধনে মুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার  (সাংঘিক) প্রাঙ্গণ। ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ স্লোগানে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে বৌদ্ধ বিহার   পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অবিনাশী প্রতীক। প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র সকলে সম্মিলিত ও সামাজিকভাবে সাম্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সহাবস্থানে থেকে দেশকে সবার আগে রাখা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই নীতিই হলো আমাদের জাতীয় ঐক্যের শক্তি। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্প্রীতিই আমাদের আগামীর সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র যুব ফ্রন্ট, চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জে বি এস আনন্দবোধি স্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বৌদ্ধ পণ্ডিত ও গবেষক অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাস্থবির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। সৌরভ প্রিয় পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত ধর্মবোধি স্থবির ও ভদন্ত প্রিয়বোধি ভিক্ষু।

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে অপু চৌধুরী আকাশ, বাবু সুশীল বড়ুয়া ও আইনজীবী সত্যজিৎ বড়ুয়া।

আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলা নববর্ষ কেবল একটি ঋতু বদলের উৎসব নয়, এটি বাঙালির সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক পরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ। বৌদ্ধ বিহারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সর্বজনীন আয়োজন সমাজে শান্তি, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে আরও সুদৃঢ় করবে।

সকাল থেকেই চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার এলাকা বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও ঐক্য বজায় রাখতে  ভবিষ্যতেও এই ধরনের সম্প্রীতিমূলক উৎসবের ধারা অব্যাহত থাকবে।