ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীতে হটস্পট ৪৩২, সক্রিয় প্রায় ১২শ ছিনতাইকারী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৮৬ বার পড়া হয়েছে

 

রাজধানীতে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ছিনতাই। নগরীর ৫০ থানা এলাকায় ছিনতাইকারীদের ৪৩২টি হটস্পট চিহ্নিত হয়েছে। এসব স্থানে সক্রিয় ১২শ ছিনতাইকারী।

এদের হাতে প্রায় প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন মানুষ। দুর্বৃত্তরা চলন্ত বাস, প্রাইভেট কার থেকে মোবাইল ফোন, কানের দুল, গলার চেইন টেনে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় প্রকাশ্যে ছুরি, চাকু, চাপাতি বা পিস্তল ধরে নগদ টাকা, মূল্যবান সামগ্রী কেড়ে নিচ্ছে। বাধা দিলেই আঘাত করছে এতে গুরুতর আহতসহ প্রাণহানি হচ্ছে।

এসবের সঙ্গে পেশাদার, মাদকাসক্ত এবং শৌখিন ছিনতাইকারীরা জড়িত। এদের দৌরাত্ম্যে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় সন্ধ্যা নামলেই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাতে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানামুখী অভিযানেও দমছে না অপরাধীরা।

এই অবস্থায় দিনে দিনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগীরা। অনেক স্থানে নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। অনেক স্থানে মানুষ হাতে তুলে নিচ্ছেন আইন। ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দিয়ে ধরে গণধোলাই, এমনকি উলটো করে ঝুলিয়ে রাখা, পিটিয়ে মারার ঘটনাও ঘটছে। অপরাধ ও সমাজ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই ব্যবস্থা না নিতে পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। পুলিশের দাবি, কোনো স্পট ধরে নয়, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নের ঝুঁকি আছে, সেখানেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিভাগভিত্তিক ৪৩২ হটস্পট : একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় ছিনতাইয়ের হটস্পটের সংখ্যা ৩৪২টি। এগুলোর মধ্যে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় আছে ১০৮টি স্পট। শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও, শিল্পাঞ্চল এবং হাতিরঝিল থানা এলাকায় ২৫ স্পট।

বৃহত্তর মিরপুর এলাকায় রয়েছে ৯৫টি হটস্পট। গুলশান ও উত্তরা বিভাগে আছে ৯৪টি এবং মতিঝিল বিভাগে-৩০, ওয়ারীতে-৩৫, রমনা ও লালবাগ বিভাগে ৪৫টি হটস্পট আছে বলে জানা গেছে। এসব স্পটে ছিনতাইয়ে সক্রিয় রয়েছে প্রায় ১২শ অপরাধী। এর মধ্যে মতিঝিল বিভাগ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ২১২ জন, মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগে সক্রিয় ৩৮৬, রমনা ও লালবাগ বিভাগে ২১৭, উত্তরা এবং গুলশান বিভাগে ১৫৪, মোহাম্মদপুর থানার আওতাধীন এলাকায় ২০৫ জন ছিনতাইকারী সক্রিয়ভাবে জড়িত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

রাজধানীতে হটস্পট ৪৩২, সক্রিয় প্রায় ১২শ ছিনতাইকারী

আপডেট সময় ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাজধানীতে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ছিনতাই। নগরীর ৫০ থানা এলাকায় ছিনতাইকারীদের ৪৩২টি হটস্পট চিহ্নিত হয়েছে। এসব স্থানে সক্রিয় ১২শ ছিনতাইকারী।

এদের হাতে প্রায় প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন মানুষ। দুর্বৃত্তরা চলন্ত বাস, প্রাইভেট কার থেকে মোবাইল ফোন, কানের দুল, গলার চেইন টেনে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় প্রকাশ্যে ছুরি, চাকু, চাপাতি বা পিস্তল ধরে নগদ টাকা, মূল্যবান সামগ্রী কেড়ে নিচ্ছে। বাধা দিলেই আঘাত করছে এতে গুরুতর আহতসহ প্রাণহানি হচ্ছে।

এসবের সঙ্গে পেশাদার, মাদকাসক্ত এবং শৌখিন ছিনতাইকারীরা জড়িত। এদের দৌরাত্ম্যে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় সন্ধ্যা নামলেই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাতে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানামুখী অভিযানেও দমছে না অপরাধীরা।

এই অবস্থায় দিনে দিনে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগীরা। অনেক স্থানে নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। অনেক স্থানে মানুষ হাতে তুলে নিচ্ছেন আইন। ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দিয়ে ধরে গণধোলাই, এমনকি উলটো করে ঝুলিয়ে রাখা, পিটিয়ে মারার ঘটনাও ঘটছে। অপরাধ ও সমাজ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই ব্যবস্থা না নিতে পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। পুলিশের দাবি, কোনো স্পট ধরে নয়, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নের ঝুঁকি আছে, সেখানেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিভাগভিত্তিক ৪৩২ হটস্পট : একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় ছিনতাইয়ের হটস্পটের সংখ্যা ৩৪২টি। এগুলোর মধ্যে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় আছে ১০৮টি স্পট। শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও, শিল্পাঞ্চল এবং হাতিরঝিল থানা এলাকায় ২৫ স্পট।

বৃহত্তর মিরপুর এলাকায় রয়েছে ৯৫টি হটস্পট। গুলশান ও উত্তরা বিভাগে আছে ৯৪টি এবং মতিঝিল বিভাগে-৩০, ওয়ারীতে-৩৫, রমনা ও লালবাগ বিভাগে ৪৫টি হটস্পট আছে বলে জানা গেছে। এসব স্পটে ছিনতাইয়ে সক্রিয় রয়েছে প্রায় ১২শ অপরাধী। এর মধ্যে মতিঝিল বিভাগ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ২১২ জন, মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগে সক্রিয় ৩৮৬, রমনা ও লালবাগ বিভাগে ২১৭, উত্তরা এবং গুলশান বিভাগে ১৫৪, মোহাম্মদপুর থানার আওতাধীন এলাকায় ২০৫ জন ছিনতাইকারী সক্রিয়ভাবে জড়িত।