ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমাতে জানুয়ারিতে সচেতনামূলক কর্মসূচি শুরু – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী জানুয়ারি মাসে সচেতনামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধ এবং মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।

আজ সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত লাইভস্টক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এলআরআই)-এ আয়োজিত “ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন কনফারেন্স ২০২৫”–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেছেন, প্রাণিস্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন কনফারেন্স একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ- যার মাধ্যমে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেন, রোগ প্রতিরোধে অবহেলা করলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বাড়ে, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ঝুঁকি তৈরি করছে। এই ঝুঁকি শুধু মানুষের মধ্যেই নয়, প্রাণীর মধ্যেও বাড়ছে। তাই ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম জোরদার করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন কমাতে হবে। ভুলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন,শুধু গবাদিপশু পালন করলেই হবে না—মানুষের মতো প্রাণীরও যত্ন, চিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধ প্রয়োজন। কারণ মানুষ যে প্রাণীগুলোকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, সেগুলোর সুস্থতার ওপরই মানুষের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, খুরা রোগ (এফএমডি), লাম্পি স্কিন, পিপিআর, অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলেও ভ্যাকসিন উৎপাদনে দেশের নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডা. রবিন অ্যাল্ডার্স (Professor Dr. Robyn Alders) Preventing pandemics, improving food security: sustainable control of vaccine preventable animal disease in resource-limited- শীর্ষক প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও সার্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এলআরআই-এর পরিচালক ড. মো. মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. শাকিলা ফারুক। এসময় প্রাণিসম্পদ খাতের বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও নীতিনির্ধারক-সহ অন্যান্যরা উপস্হিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমাতে জানুয়ারিতে সচেতনামূলক কর্মসূচি শুরু – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

আলী আহসান রবি : প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী জানুয়ারি মাসে সচেতনামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধ এবং মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।

আজ সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত লাইভস্টক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এলআরআই)-এ আয়োজিত “ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন কনফারেন্স ২০২৫”–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেছেন, প্রাণিস্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে ভেটেরিনারি ভ্যাকসিন কনফারেন্স একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ- যার মাধ্যমে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেন, রোগ প্রতিরোধে অবহেলা করলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বাড়ে, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ঝুঁকি তৈরি করছে। এই ঝুঁকি শুধু মানুষের মধ্যেই নয়, প্রাণীর মধ্যেও বাড়ছে। তাই ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম জোরদার করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন কমাতে হবে। ভুলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন,শুধু গবাদিপশু পালন করলেই হবে না—মানুষের মতো প্রাণীরও যত্ন, চিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধ প্রয়োজন। কারণ মানুষ যে প্রাণীগুলোকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, সেগুলোর সুস্থতার ওপরই মানুষের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, খুরা রোগ (এফএমডি), লাম্পি স্কিন, পিপিআর, অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলেও ভ্যাকসিন উৎপাদনে দেশের নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডা. রবিন অ্যাল্ডার্স (Professor Dr. Robyn Alders) Preventing pandemics, improving food security: sustainable control of vaccine preventable animal disease in resource-limited- শীর্ষক প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও সার্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এলআরআই-এর পরিচালক ড. মো. মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. শাকিলা ফারুক। এসময় প্রাণিসম্পদ খাতের বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও নীতিনির্ধারক-সহ অন্যান্যরা উপস্হিত ছিলেন।