ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য আহত Logo বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬৭ জন গ্রেফতার Logo রাজধানীর খেলার মাঠ উন্নয়নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিদর্শন টিম Logo পাট খাতের উন্নয়নে জেডিপিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম Logo মানবিকতার পথে রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশন, ৭০০ ব্যাগ রক্তদান ও ১০০০ ডোনারের মাইলফলক স্পর্শ Logo মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ম্যানচেস্টার টেমসাইড কাউন্সিলের সিভিক মেয়রের সাক্ষাৎ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতি মন্ত্রী Logo প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন Logo বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের বৈঠক : এফবিসিসিআইকে কার্যকর, শক্তিশালী ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের ওপর জোর
ভূমি রেজিস্ট্রেশন ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনলে কমবে দুর্নীতি ও জনভোগান্তি

ভূমি জটিলতার মূল কারণ দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৯ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : ভূমি রেজিষ্ট্রেশন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়া উচিত বলেন, ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ। আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একই ছাতার নিচে ভুমিসেবা সহজে প্রদানের লক্ষ্যে জন প্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত কার্যবলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায়ধীনে আনায়নের নিমিত্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সিনিয়র সচিব বলেন,বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা ও জনভোগান্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার অন্যতম বড় কারণ হলো ভূমি প্রশাসন ও ভূমি রেজিস্ট্রেশনের দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ। বর্তমানে ভূমি প্রশাসন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন হলেও ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালিত হয় আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন। এই বিভাজন প্রশাসনিক অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করেছে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও দুরূহ করে তুলেছে।

তিনি বলেন, আমরা সকলে জনগণের জন্য কাজ করি তাই জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। এখানে কে কোন মন্ত্রণালয় কাজ করছেন সেটা মুখ্য নয়,মুখ্য হচ্ছে জনগণকে কতটুকু সেবা দিতে পেরেছি। ভূমি রেজিস্ট্রেশন মূলত ভূমি ব্যবস্থাপনারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জমির মালিকানা হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন, নামজারি ও খতিয়ান সংশোধন সবকিছুই একই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। অথচ এই একই প্রক্রিয়ার দায়িত্ব যখন ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকে, তখন তথ্যের সমন্বয় ব্যাহত হয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব ঘটে এবং দুর্নীতির সুযোগ বাড়ে।

তিনি আরো বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমি রেজিস্ট্রেশন আনা হলে একটি একক কর্তৃত্ব ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে ভূমি সংক্রান্ত সব তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও যাচাই করা সহজ হবে। ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নও আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দলিল জালিয়াতি, দ্বৈত নিবন্ধন ও কাগজপত্রের অসামঞ্জস্য অনেকাংশে কমে আসবে। বর্তমানে দেখা যায়, একটি জমি কেনার পর মালিকানা নিশ্চিত করতে বছরের পর বছর লেগে যায়। ভূমি রেজিস্ট্রেশন যদি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকে, তবে এক ছাতার নিচে সেবার মাধ্যমে জনভোগান্তি কমানো সম্ভব। ভূমি সংক্রান্ত সব কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হলে ভূমি রেজিস্ট্রেশনকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন করা হলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে, দুর্নীতি কমবে।

ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে সভায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এজেএম সালাউদ্দিন নাগরী,ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান(গ্রেড-১) ড.মো:মাহমুদ হাসানসহ মন্ত্রণালয়য়ে অতিরিক্ত সচিববৃন্দ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য আহত

ভূমি রেজিস্ট্রেশন ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনলে কমবে দুর্নীতি ও জনভোগান্তি

ভূমি জটিলতার মূল কারণ দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ

আপডেট সময় ০৪:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আলী আহসান রবি : ভূমি রেজিষ্ট্রেশন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়া উচিত বলেন, ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ। আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একই ছাতার নিচে ভুমিসেবা সহজে প্রদানের লক্ষ্যে জন প্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত কার্যবলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায়ধীনে আনায়নের নিমিত্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সিনিয়র সচিব বলেন,বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা ও জনভোগান্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার অন্যতম বড় কারণ হলো ভূমি প্রশাসন ও ভূমি রেজিস্ট্রেশনের দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ। বর্তমানে ভূমি প্রশাসন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন হলেও ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালিত হয় আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন। এই বিভাজন প্রশাসনিক অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করেছে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও দুরূহ করে তুলেছে।

তিনি বলেন, আমরা সকলে জনগণের জন্য কাজ করি তাই জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। এখানে কে কোন মন্ত্রণালয় কাজ করছেন সেটা মুখ্য নয়,মুখ্য হচ্ছে জনগণকে কতটুকু সেবা দিতে পেরেছি। ভূমি রেজিস্ট্রেশন মূলত ভূমি ব্যবস্থাপনারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জমির মালিকানা হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন, নামজারি ও খতিয়ান সংশোধন সবকিছুই একই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। অথচ এই একই প্রক্রিয়ার দায়িত্ব যখন ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকে, তখন তথ্যের সমন্বয় ব্যাহত হয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব ঘটে এবং দুর্নীতির সুযোগ বাড়ে।

তিনি আরো বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমি রেজিস্ট্রেশন আনা হলে একটি একক কর্তৃত্ব ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে ভূমি সংক্রান্ত সব তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও যাচাই করা সহজ হবে। ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নও আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দলিল জালিয়াতি, দ্বৈত নিবন্ধন ও কাগজপত্রের অসামঞ্জস্য অনেকাংশে কমে আসবে। বর্তমানে দেখা যায়, একটি জমি কেনার পর মালিকানা নিশ্চিত করতে বছরের পর বছর লেগে যায়। ভূমি রেজিস্ট্রেশন যদি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকে, তবে এক ছাতার নিচে সেবার মাধ্যমে জনভোগান্তি কমানো সম্ভব। ভূমি সংক্রান্ত সব কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হলে ভূমি রেজিস্ট্রেশনকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন করা হলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে, দুর্নীতি কমবে।

ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে সভায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এজেএম সালাউদ্দিন নাগরী,ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান(গ্রেড-১) ড.মো:মাহমুদ হাসানসহ মন্ত্রণালয়য়ে অতিরিক্ত সচিববৃন্দ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।