ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

হঠাৎ দুঃসংবাদ ভারতের জন্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বাংলাদেশি রোগীদের ভারতে চিকিৎসা নেয়া। এবার আরও বড় ধাক্কার মুখোমুখি হতে চলেছে ভারতীয় হাসপাতালগুলো।  জানা গেছে, চীন ও তুরস্ক বাংলাদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই হাসপাতালগুলো থেকে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবেন দেশের মানুষ। ফলে আর ভারতে গিয়ে বিপুল টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিতে হবে না। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে, গত বছর চিন্ময় দাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার কয়েকটি হাসপাতাল এবং কিছু চিকিৎসক ‘বাংলাদেশি রোগী দেখবেন না’ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। তবে এবার তার ফল হতে চলেছে উল্টো।  ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিগত ৫ মাসে বাংলাদেশ থেকে রোগী আসা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে। ফলে যেসব হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের ওপরে অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল, তারা বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছেন। ধস নেমেছে কলকাতাসহ ভারতের অন্যান্য শহরের হাসপাতাল ব্যবসায়। আর রোগীর অভাবে গত পাঁচ মাসে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ভারতের অনেক হাসপাতালের।  এমতাবস্থায় ভারতের অনেক নাগরিকই মনে করেন, বাংলাদেশিদের বিপাকে ফেলার ছক কষতে গিয়ে নিজেরাই বিপাকে পড়েছে ভারত।  এই নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয়রা মোদীর এই কূটচালের নিন্দা জানাচ্ছেন। এছাড়া বাংলাদেশি পর্যটক প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় আরও বিপাকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো। এছাড়াও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পড়েছে ভারতীয় রুপীর দাম। ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ রোগী চিকিৎসার জন্য ভারতে যায়। এতে ভারতে স্বাস্থ্যসেবা নিতে তাদের বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।  এমন পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে চায়। সম্প্রতি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে বেইজিংয়ের সহায়তা এবং চীনে রোগী পাঠানো নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাছাড়া চীনের সহযোগিতায় ঢাকার পূর্বাচলে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাবনাও দিয়েছেন তিনি। যার জমিসহ অন্যান্য সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সম্মতি জানিয়েছে।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চীনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে বাংলাদেশি নাগরিকদের উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য চীনের কুনমিংয়ে তিন থেকে চারটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্ধারণ করে দেয়ার অনুরোধ জানাবে ঢাকা। এছাড়া মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তুরস্কও দেশে আধুনিক হাসপাতাল তৈরিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

হঠাৎ দুঃসংবাদ ভারতের জন্য

আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বাংলাদেশি রোগীদের ভারতে চিকিৎসা নেয়া। এবার আরও বড় ধাক্কার মুখোমুখি হতে চলেছে ভারতীয় হাসপাতালগুলো।  জানা গেছে, চীন ও তুরস্ক বাংলাদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই হাসপাতালগুলো থেকে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবেন দেশের মানুষ। ফলে আর ভারতে গিয়ে বিপুল টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিতে হবে না। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে, গত বছর চিন্ময় দাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার কয়েকটি হাসপাতাল এবং কিছু চিকিৎসক ‘বাংলাদেশি রোগী দেখবেন না’ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। তবে এবার তার ফল হতে চলেছে উল্টো।  ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিগত ৫ মাসে বাংলাদেশ থেকে রোগী আসা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে। ফলে যেসব হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের ওপরে অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল, তারা বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছেন। ধস নেমেছে কলকাতাসহ ভারতের অন্যান্য শহরের হাসপাতাল ব্যবসায়। আর রোগীর অভাবে গত পাঁচ মাসে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ভারতের অনেক হাসপাতালের।  এমতাবস্থায় ভারতের অনেক নাগরিকই মনে করেন, বাংলাদেশিদের বিপাকে ফেলার ছক কষতে গিয়ে নিজেরাই বিপাকে পড়েছে ভারত।  এই নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয়রা মোদীর এই কূটচালের নিন্দা জানাচ্ছেন। এছাড়া বাংলাদেশি পর্যটক প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় আরও বিপাকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের হোটেল, রেস্তোরাঁগুলো। এছাড়াও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পড়েছে ভারতীয় রুপীর দাম। ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ রোগী চিকিৎসার জন্য ভারতে যায়। এতে ভারতে স্বাস্থ্যসেবা নিতে তাদের বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।  এমন পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে চায়। সম্প্রতি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে বেইজিংয়ের সহায়তা এবং চীনে রোগী পাঠানো নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাছাড়া চীনের সহযোগিতায় ঢাকার পূর্বাচলে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাবনাও দিয়েছেন তিনি। যার জমিসহ অন্যান্য সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সম্মতি জানিয়েছে।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চীনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে বাংলাদেশি নাগরিকদের উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য চীনের কুনমিংয়ে তিন থেকে চারটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্ধারণ করে দেয়ার অনুরোধ জানাবে ঢাকা। এছাড়া মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তুরস্কও দেশে আধুনিক হাসপাতাল তৈরিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।