ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাহুবলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ইউএনও উজ্জ্বল রায়, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস। Logo পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা আসরাফ উদ্দিন হিল্লোল। Logo হাজারীবাগ থানা পুলিশ দুই কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে  Logo পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন। Logo পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানুষের কল্যাণে প্রতিদিন এর প্রতিনিধি মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক। Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার রায়। Logo জুলাই শহীদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে -বাউফলে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার অনুষ্ঠানে ড.  সুফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি Logo নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান সুমন। Logo পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ টোল আদায় ও যানবাহন পারাপার
জাতীয় উপকূল সম্মেলনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল উন্নয়ন, কৃষি ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

উপকূল শুধু দুর্যোগের ক্ষেত্র নয়, অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি: জাতীয় উপকূল সম্মেলনে – হোসেন জিল্লুর রহমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, জলবায়ু বিপন্নতার অগ্রভাগে থাকা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির বোঝা বহন করছে উপকূলীয় অঞ্চল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই উপকূলীয় অঞ্চলকে প্রায়ই’ প্রাইমারি ব্যাটেলফিল্ড’ হিসেবে দেখাহলেও, উপকূলের পরিচয় শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। উপকূলই একমাত্র অঞ্চল যেখানে কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে; একই সঙ্গে এটি সামুদ্রিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে দেশের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি।

আজ রবিবার রাজধানীর বিজয় সরণিতে বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী জাতীয় উপকূল সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথাবলেন।

তিনি আরও বলেন, কৃষক, নারী, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি, উপকূলে কর্মরত সংগঠন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন দীর্ঘদিন ধরে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াপ্রদান এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চলমান কাজ ও সক্ষমতার একটি নতুন মেলবন্ধন তৈরি করেছে।

দু’ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আগত সকল অংশগ্রহণকারীদের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে সমাপনী অধিবেশনে একটি উপকূল ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। ঘোষণাপত্রে জজরিপ ও সমীক্ষার মাধ্যমে উপকুলরেখা ও উপকুলীয় এলাকার প্রকৃত্ব আয়তন, স্বাদুপানি, কৃষিজমি, মৎস্যসম্পদ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের তথ্য সমন্বয়, ভূমির প্রকারভেদ অনুসারে ল্যান্ড জোনিং’ পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কঠোর পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন, স্থানীয় জেলে-কৃষক-নারী ও তরুণদের ইতিবাচক ভুমিকার স্বীকৃতি দিয়ে সমাজভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ সহ-ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা প্রদান, লবণাক্রান্ত এলাকাগুলোতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা, স্বাদুপানির উৎস সরক্ষণ, ভুউপরিস্থিত স্বাদুপানির জলাধার এবং সমাজভিত্তিক পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ, উপকূলের ঝুঁকি ও চাহিদা বিবেচনা করে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু তহবিল, ক্ষতি ও বিনষ্টি তহবিল (এসঅ্যান্ডডি) ও সবুজ অর্থায়ন সহ বিভিন্ন দাবি ঘোষিত হয়। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আগামী জাতীয় নির্বাচনের পর দায়িত্ব গ্রহণকারী নতুন সরকারের কাছে দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা এবং উপকূলের টেকসইও পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি সবুজ ও কার্বন-নিরপেক্ষ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহবান জানানো হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় এই উপকূল সম্মেলনে জন্বায়ু সহনশীলতা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কমিউনিটি নেতৃত্ব, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন, স্থায়িত্বশীল জীবিকা, সামাজিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি বিনির্মাণ, ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর, উদ্ভাবন, সামাজিক সমতা, আর্থিক কাঠামো, প্রাকৃতিক সম্পদ কেন্দ্রিক দ্বন্দ বিষয়ে সমান্তরাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনে অতিথি, প্যানেলিস্ট হিসাবে অংশগ্রহণ করেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মহাপরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. এনায়েত উল্লাহ, বন অধিদপ্তর উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির, কোস্ট ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক কোস্ট রেজাউল করিম চৌধুরী, কর্মজীবী নারী অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড, কাজী মারুফুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন: পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড নেটওয়ার্ক প্রান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ২৬টি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় কৃষি, পরিবেশ-প্রতিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, কমিউনিটি সক্ষমতা বৃদ্ধি, জেলে সম্প্রদায়, অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, দুর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী, উপকূলীয় নানা সংকটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীসহ আড়াইশো এর অধিক অংশগ্রহণকারী সরাসরি যুক্ত হন।

মহাপরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. এনায়েত উল্লাহ, বন অধিদপ্তর উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির, কোস্ট ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক কোস্ট রেজাউল করিম চৌধুরী, কর্মজীবী নারী অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন: পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড নেটওয়ার্ক প্রান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ২৬টি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় কৃষি, পরিবেশ-প্রতিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, কমিউনিটি সক্ষমতা বৃদ্ধি, জেলে সম্প্রদায়, অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, দুর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী, উপকূলীয় নানা সংকটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীসহ আড়াইশো এর অধিক অংশগ্রহণকারী সরাসরি যুক্ত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহুবলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ইউএনও উজ্জ্বল রায়, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস।

জাতীয় উপকূল সম্মেলনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল উন্নয়ন, কৃষি ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

উপকূল শুধু দুর্যোগের ক্ষেত্র নয়, অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি: জাতীয় উপকূল সম্মেলনে – হোসেন জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ০৪:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আলী আহসান রবি : বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, জলবায়ু বিপন্নতার অগ্রভাগে থাকা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির বোঝা বহন করছে উপকূলীয় অঞ্চল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এই উপকূলীয় অঞ্চলকে প্রায়ই’ প্রাইমারি ব্যাটেলফিল্ড’ হিসেবে দেখাহলেও, উপকূলের পরিচয় শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। উপকূলই একমাত্র অঞ্চল যেখানে কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে; একই সঙ্গে এটি সামুদ্রিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে দেশের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি।

আজ রবিবার রাজধানীর বিজয় সরণিতে বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী জাতীয় উপকূল সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথাবলেন।

তিনি আরও বলেন, কৃষক, নারী, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি, উপকূলে কর্মরত সংগঠন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলন দীর্ঘদিন ধরে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াপ্রদান এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চলমান কাজ ও সক্ষমতার একটি নতুন মেলবন্ধন তৈরি করেছে।

দু’ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আগত সকল অংশগ্রহণকারীদের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে সমাপনী অধিবেশনে একটি উপকূল ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। ঘোষণাপত্রে জজরিপ ও সমীক্ষার মাধ্যমে উপকুলরেখা ও উপকুলীয় এলাকার প্রকৃত্ব আয়তন, স্বাদুপানি, কৃষিজমি, মৎস্যসম্পদ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের তথ্য সমন্বয়, ভূমির প্রকারভেদ অনুসারে ল্যান্ড জোনিং’ পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কঠোর পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন, স্থানীয় জেলে-কৃষক-নারী ও তরুণদের ইতিবাচক ভুমিকার স্বীকৃতি দিয়ে সমাজভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ সহ-ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা প্রদান, লবণাক্রান্ত এলাকাগুলোতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা, স্বাদুপানির উৎস সরক্ষণ, ভুউপরিস্থিত স্বাদুপানির জলাধার এবং সমাজভিত্তিক পানি ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ, উপকূলের ঝুঁকি ও চাহিদা বিবেচনা করে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু তহবিল, ক্ষতি ও বিনষ্টি তহবিল (এসঅ্যান্ডডি) ও সবুজ অর্থায়ন সহ বিভিন্ন দাবি ঘোষিত হয়। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আগামী জাতীয় নির্বাচনের পর দায়িত্ব গ্রহণকারী নতুন সরকারের কাছে দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা এবং উপকূলের টেকসইও পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি সবুজ ও কার্বন-নিরপেক্ষ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহবান জানানো হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় এই উপকূল সম্মেলনে জন্বায়ু সহনশীলতা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কমিউনিটি নেতৃত্ব, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন, স্থায়িত্বশীল জীবিকা, সামাজিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি বিনির্মাণ, ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর, উদ্ভাবন, সামাজিক সমতা, আর্থিক কাঠামো, প্রাকৃতিক সম্পদ কেন্দ্রিক দ্বন্দ বিষয়ে সমান্তরাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনে অতিথি, প্যানেলিস্ট হিসাবে অংশগ্রহণ করেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড মহাপরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. এনায়েত উল্লাহ, বন অধিদপ্তর উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির, কোস্ট ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক কোস্ট রেজাউল করিম চৌধুরী, কর্মজীবী নারী অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড, কাজী মারুফুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন: পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড নেটওয়ার্ক প্রান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ২৬টি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় কৃষি, পরিবেশ-প্রতিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, কমিউনিটি সক্ষমতা বৃদ্ধি, জেলে সম্প্রদায়, অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, দুর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী, উপকূলীয় নানা সংকটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীসহ আড়াইশো এর অধিক অংশগ্রহণকারী সরাসরি যুক্ত হন।

মহাপরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. এনায়েত উল্লাহ, বন অধিদপ্তর উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির, কোস্ট ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক কোস্ট রেজাউল করিম চৌধুরী, কর্মজীবী নারী অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এর সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন: পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড নেটওয়ার্ক প্রান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ২৬টি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় কৃষি, পরিবেশ-প্রতিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, কমিউনিটি সক্ষমতা বৃদ্ধি, জেলে সম্প্রদায়, অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, দুর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী, উপকূলীয় নানা সংকটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীসহ আড়াইশো এর অধিক অংশগ্রহণকারী সরাসরি যুক্ত হন।