ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জ্ঞানের ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বই পড়ার বিকল্প নেই।

চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না – শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ও বণিক বার্তার নবম নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, একটি সমাজ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে।আর সেই প্রশ্ন করার সাহস গড়ে ওঠে নন-ফিকশন পড়ার অভ্যাস থেকে। নন-ফিকশন বই এর গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন তথ্যের অভাব নেই, কিন্তু জ্ঞান ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম।”

শিক্ষার্থীদের নন-ফিকশন বই পড়ার আহবান জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “নন-ফিকশন পড়ুন, প্রশ্ন করুন, তর্ক করুন, ভাবুন। কারণ চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না।”
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বইমেলার একটি বড় তাৎপর্য হলো- এটি দেয়ালের ভেতরের জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই চিন্তার কেন্দ্র। আজকের এই আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয় ,বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু ডিগ্রি দেওয়া নয়, সমাজকে ভাবতে শেখানোও তার দায়িত্ব।

সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করা হয় লেখক ও প্রকাশকদের। পুরস্কার প্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, “এই পুরস্কার শুধু লেখকদের সম্মানিত করে না, এটি একটি বার্তা দেয়- গভীর গবেষণা, পরিশ্রমী লেখা এবং দায়িত্বশীল চিন্তার মূল্য আছে।” এবারের মেলাতে দেশের মোট ৩৯টি প্রকাশনা ও গবেষণা সংস্থা অংশ নিয়েছে। অংশ নেয়া প্রকাশকদের মনোনীত বই থেকে বিচারক প্যানেল ২০২৫-এর দুইটি নন-ফিকশন বই নির্বাচিত করে ‘নন-ফিকশন গ্রন্থ সম্মাননা ২০২৫’ প্রদান করা হয় সমাপনী অনুষ্ঠানে। এবার একইসঙ্গে গ্রন্থগুলোর প্রকাশককেও সম্মাননা দেয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত বিজইয়ী গ্রন্থ ও লেখকরা হলেন, ‘দ্বিরালাপ: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও পূর্বাপর রাজনীতি সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক আলাপচারিতা’র নূরুল কবীর। বইটি প্রকাশ করেছে কথাপ্রকাশ। বিজয়ী আরেকটি গ্রন্থ হলো মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিকির লেখা ‘শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা’। এ বইটি প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশন।
শিক্ষা উপদেষ্টা আয়োজক, লেখক, প্রকাশক, পুরস্কার প্রাপ্তদের এবং পাঠকদের অভিনন্দন জানান এবং এই জাতীয় জ্ঞানভিত্তিক বইমেলা আয়োজন অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জ্ঞানের ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বই পড়ার বিকল্প নেই।

চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না – শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার

আপডেট সময় ০৫:০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ও বণিক বার্তার নবম নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, একটি সমাজ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে।আর সেই প্রশ্ন করার সাহস গড়ে ওঠে নন-ফিকশন পড়ার অভ্যাস থেকে। নন-ফিকশন বই এর গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন তথ্যের অভাব নেই, কিন্তু জ্ঞান ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম।”

শিক্ষার্থীদের নন-ফিকশন বই পড়ার আহবান জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “নন-ফিকশন পড়ুন, প্রশ্ন করুন, তর্ক করুন, ভাবুন। কারণ চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না।”
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বইমেলার একটি বড় তাৎপর্য হলো- এটি দেয়ালের ভেতরের জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই চিন্তার কেন্দ্র। আজকের এই আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয় ,বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু ডিগ্রি দেওয়া নয়, সমাজকে ভাবতে শেখানোও তার দায়িত্ব।

সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করা হয় লেখক ও প্রকাশকদের। পুরস্কার প্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, “এই পুরস্কার শুধু লেখকদের সম্মানিত করে না, এটি একটি বার্তা দেয়- গভীর গবেষণা, পরিশ্রমী লেখা এবং দায়িত্বশীল চিন্তার মূল্য আছে।” এবারের মেলাতে দেশের মোট ৩৯টি প্রকাশনা ও গবেষণা সংস্থা অংশ নিয়েছে। অংশ নেয়া প্রকাশকদের মনোনীত বই থেকে বিচারক প্যানেল ২০২৫-এর দুইটি নন-ফিকশন বই নির্বাচিত করে ‘নন-ফিকশন গ্রন্থ সম্মাননা ২০২৫’ প্রদান করা হয় সমাপনী অনুষ্ঠানে। এবার একইসঙ্গে গ্রন্থগুলোর প্রকাশককেও সম্মাননা দেয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত বিজইয়ী গ্রন্থ ও লেখকরা হলেন, ‘দ্বিরালাপ: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও পূর্বাপর রাজনীতি সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক আলাপচারিতা’র নূরুল কবীর। বইটি প্রকাশ করেছে কথাপ্রকাশ। বিজয়ী আরেকটি গ্রন্থ হলো মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিকির লেখা ‘শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা’। এ বইটি প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশন।
শিক্ষা উপদেষ্টা আয়োজক, লেখক, প্রকাশক, পুরস্কার প্রাপ্তদের এবং পাঠকদের অভিনন্দন জানান এবং এই জাতীয় জ্ঞানভিত্তিক বইমেলা আয়োজন অব্যাহত রাখার আহবান জানান।