ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইলেক্ট্রিক স্কুল বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দিল এনবিআর Logo কার্যক্রম: নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার জন্য ২ শতাধিক ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিলো ডিএনসিসি Logo ডেমরায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা পরিদর্শন করলেন শ্রমমন্ত্রী; তদন্ত কমিটি গঠন Logo ৬ বছর পর তামিম হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি Logo হাম ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার যথেষ্ট সক্ষম…স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন Logo বাউফলে বিনামূল্যে অসহায় মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন Logo বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ একটি বহুত্ববাদী ও বৈচিত্র্যময় রাজনীতির কথা বলে – তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন Logo রাগবি সেভেনস চ্যাম্পিয়নশিপ ও  মিনি স্কুল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আনিনুল হক Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যক্রম জাতিসংঘে তুলে ধরলেন পার্বত্য সচিব Logo ঢাকা শহরকে নিজের আঙিনার মতো করে সাজাতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক
নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য জনগণের সম্মতি জরুরি

গণভোটে “হ্যাঁ” সিল দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন – মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৪ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদুরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।

এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি “হ্যাঁ” ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানে—

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।

সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগনের সম্মতি নিতে হবে।

এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।

একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।

ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।

সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।

এবং এরকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।

আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।

“হ্যাঁ” তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। “হ্যাঁ”-তে আপনি নিজে সিল দিন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।

ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিব।

মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। ধন্যবাদ।

ইলেক্ট্রিক স্কুল বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দিল এনবিআর

নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য জনগণের সম্মতি জরুরি

গণভোটে “হ্যাঁ” সিল দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন – মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু সংস্কার করেছি। আরও গভীর ও সুদুরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি।

এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটে আপনি “হ্যাঁ” ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট মানে—

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।

সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগনের সম্মতি নিতে হবে।

এতে আরও বলা আছে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।

একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।

ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

আপনার মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পাবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।

সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না।

এবং এরকম আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব এর মধ্যে রয়েছে।

আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য “হ্যাঁ”-তে সিল দিন।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে।

“হ্যাঁ” তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। “হ্যাঁ”-তে আপনি নিজে সিল দিন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।

ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিব।

মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। ধন্যবাদ।