ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল” সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। Logo আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসবসহ ঈদের দিন রাজধানীতে বর্ণাঢ্য ঈদের মিছিলের আয়োজন করা হবে। Logo ফ্যামিলি কার্ড চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম Logo পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ডিএসসিসি’র বিশেষ তৎপরতাঃ অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় কঠোর সিদ্ধান্ত Logo নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী – খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির Logo প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন- বান্দরবান লামায় পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান Logo মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি অবস্থায় প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় Logo ৪৭ টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল পরিমাণ হাড়সহ সংঘবদ্ধ মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ Logo আসন্ন সংসদ অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইন হিসেবে পাশ করা হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo সৌদি আরবের আল-খার্জ গভর্নরেটে বিমান হামলায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু এবং অন্যান্য বাংলাদেশিদের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে শোকা
বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা ও নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা আলোচনায়

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার H.E. Mr. Ajit Singh ‌এর সাথে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার H.E. Mr. Ajit Singh ‌এর সাথে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মধ্যে এক বৈঠক তার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশ ও কানাডার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই কানাডা একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে।

আলোচনায় বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং কানাডা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

ড. মিলন হাইকমিশনারকে জানান যে সরকার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইন কাঠামো পর্যালোচনা করছে, যাতে স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে যথাযথ একাডেমিক মান ও অবকাঠামো বজায় থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান বিনিময়ে সহায়ক এমন অংশীদারিত্বকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থাও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। কানাডিয়ান প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বিশ্বব্যাংকের মতো সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের টিভিইটি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কানাডা ইতোমধ্যে সহযোগিতা প্রদান করছে।

হাইকমিশনার Mr. Ajit Singh বাংলাদেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে কানাডার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উভয় দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যাতে অগ্রাধিকারভিত্তিক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি বিনিময়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতামূলক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে দৃঢ় ও বিশ্বস্ত সম্পর্কের জন্য পারস্পরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

“ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল” সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা ও নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা আলোচনায়

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার H.E. Mr. Ajit Singh ‌এর সাথে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত।

আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

আলী আহসান রবি : বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার H.E. Mr. Ajit Singh ‌এর সাথে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের মধ্যে এক বৈঠক তার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশ ও কানাডার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই কানাডা একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে।

আলোচনায় বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং কানাডা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

ড. মিলন হাইকমিশনারকে জানান যে সরকার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইন কাঠামো পর্যালোচনা করছে, যাতে স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে যথাযথ একাডেমিক মান ও অবকাঠামো বজায় থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান বিনিময়ে সহায়ক এমন অংশীদারিত্বকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থাও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। কানাডিয়ান প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বিশ্বব্যাংকের মতো সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের টিভিইটি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কানাডা ইতোমধ্যে সহযোগিতা প্রদান করছে।

হাইকমিশনার Mr. Ajit Singh বাংলাদেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে কানাডার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উভয় দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন, যাতে অগ্রাধিকারভিত্তিক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি বিনিময়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতামূলক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে দৃঢ় ও বিশ্বস্ত সম্পর্কের জন্য পারস্পরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।