ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আগামী পাঁচ বছরে ৩ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন Logo রানীশংকৈলে সংবাদকর্মীদের নামে মামলা ও গ্রেপ্তার প্রতিবাদে উত্তাল সাংবাদিক সমাজের তীব্র নিন্দা Logo শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ Logo নৌ পুলিশের আভিযানে ১০৫ বোতল ভারতীয় তৈরি মদ উদ্ধার Logo উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ Logo বাউফলে ৪০ পিস ইয়াবাসহ এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোর আটক Logo এলডিসি গ্রাজুয়েশন সামনে রেখে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই : শিল্পমন্ত্রী Logo সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গীকার Logo ০১টি দেশী পিস্তল, ০৭টি সামুরাই এবং মাদকসহ ০৩ (তিন) জনকে গ্রেপ্তার করছে র‌্যাব-২ Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবৈধ সয়াবিন তেল কারখানায় বিজিবি-র‍্যাবের যৌথ অভিযান; কারখানা সিলগালা

জবাই তো দিবেন, একটু সময় দেন’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • ৫৯২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিমকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর লালবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে আদালতে দাঁড়িয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, এসময় পুলিশের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি। বুধবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৬ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে তোলা হয় সোলাইমান সেলিমসহ সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, শাহজাহান খান, কামাল মজুমদার, আতিকুল ইসলাম ও অন্যান্য আসামিদের।  এরপর সবাইকে কাঠগড়ায় রাখা হয়। অন্যান্য দিনের মতো কাঠগড়ার পাশে পুলিশ সারি করে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে দাঁড়ান। প্রত্যেক আসামির আইনজীবীরাও কাছে চলে আসেন। এ সময় আসামিরা ওকালতনামায় স্বাক্ষরসহ তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এসময় সোলাইমান সেলিম এক আইনজীবীকে ডেকে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। কথা বলার সময় আইনজীবী সোলাইমান সেলিমের কাছে কারাগারে কেমন জীবন কাটাচ্ছেন জানতে চান। এ সময় সোলাইমান সেলিম বলেন, ‘রোজা আছি। বই পড়ি। পরিবারের সাথে ফোনে কথা বলা যায়। সেহরি ও ইফতারে খাবার নরমাল দেয়। দেখছেন না সবার মুখ কেমন শুকনো।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে সোলাইমান সেলিম বলেন, ‘অনেক সাংবাদিক ভুয়া নিউজ করে। তারা লিখেছে শাজাহান খানসহ অনেকে নাকি কারাগারে ভালো খাবার খাচ্ছে। এসব ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে।’ কিছুক্ষণ পরই এজলাসে বিচারক আসেন। তবুও কর্ণপাত করেন না সোলাইমান সেলিম। এ সময় কাঠগড়ার পাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে বারণ করেন। তখন সোলাইমান সেলিম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জবাই তো দিবেন। একটু সময় দেন।’ এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করে সোলাইমান সেলিম আইনজীবীকে বলেন, ‘যে কোনো সময় ফাঁসির আদেশ আসতে পারে। এতে আমি অবাক হবো না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যেভাবে ভাঙা হয়েছে। বুঝা শেষ।’ শুনানি শেষে সোলাইমান সেলিমকে হাজতখানায় নেওয়া হয়

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী পাঁচ বছরে ৩ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন

জবাই তো দিবেন, একটু সময় দেন’

আপডেট সময় ১০:০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

নিউজ ডেস্ক: হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিমকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর লালবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে আদালতে দাঁড়িয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন, এসময় পুলিশের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন তিনি। বুধবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৬ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে তোলা হয় সোলাইমান সেলিমসহ সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, শাহজাহান খান, কামাল মজুমদার, আতিকুল ইসলাম ও অন্যান্য আসামিদের।  এরপর সবাইকে কাঠগড়ায় রাখা হয়। অন্যান্য দিনের মতো কাঠগড়ার পাশে পুলিশ সারি করে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে দাঁড়ান। প্রত্যেক আসামির আইনজীবীরাও কাছে চলে আসেন। এ সময় আসামিরা ওকালতনামায় স্বাক্ষরসহ তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এসময় সোলাইমান সেলিম এক আইনজীবীকে ডেকে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। কথা বলার সময় আইনজীবী সোলাইমান সেলিমের কাছে কারাগারে কেমন জীবন কাটাচ্ছেন জানতে চান। এ সময় সোলাইমান সেলিম বলেন, ‘রোজা আছি। বই পড়ি। পরিবারের সাথে ফোনে কথা বলা যায়। সেহরি ও ইফতারে খাবার নরমাল দেয়। দেখছেন না সবার মুখ কেমন শুকনো।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে সোলাইমান সেলিম বলেন, ‘অনেক সাংবাদিক ভুয়া নিউজ করে। তারা লিখেছে শাজাহান খানসহ অনেকে নাকি কারাগারে ভালো খাবার খাচ্ছে। এসব ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে।’ কিছুক্ষণ পরই এজলাসে বিচারক আসেন। তবুও কর্ণপাত করেন না সোলাইমান সেলিম। এ সময় কাঠগড়ার পাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে বারণ করেন। তখন সোলাইমান সেলিম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জবাই তো দিবেন। একটু সময় দেন।’ এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করে সোলাইমান সেলিম আইনজীবীকে বলেন, ‘যে কোনো সময় ফাঁসির আদেশ আসতে পারে। এতে আমি অবাক হবো না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যেভাবে ভাঙা হয়েছে। বুঝা শেষ।’ শুনানি শেষে সোলাইমান সেলিমকে হাজতখানায় নেওয়া হয়