ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন-এর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ সুপার কর্তৃক জেলা পুলিশের ইউনিট পরিদর্শন Logo নারায়ণগঞ্জে ২০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo নবাগত পুলিশ সুপার রামগতি থানায় আকস্মিক পরিদর্শন Logo একজন বাবার হাসিই সবচেয়ে বড় ধন Logo সুদানে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি ৬ শান্তিরক্ষী নিহত, প্রধান উপদেষ্টার গভীর শোক Logo সরকারি কর্মচারী ও নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্তদের পোস্টাল ভোটে নিবন্ধনের আহ্বান Logo মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দিতে হবে উন্নয়ন দৃষ্টি — পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান Logo রোকেয়া পদকজয়ীদের সংবর্ধনায় প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস Logo অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতির ৪২ তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত

ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • ৫৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। শিখা আক্তার (২৫) ২। সুইটি আক্তার জারা (২৫)।
বৃহস্পতিবার (১ মে ২০২৫ খ্রি.) রাত ৩:০০ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি-ব্লকের একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত হতে বিকৃত যৌন কাজে ব্যবহৃত একটি চাবুক, পরিধেয় বিশেষ পোষাক, হাই হিল বুট জুতা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ভাটারা থানা সূত্রে জানা যায়, জনৈক মো. আব্দুল্লাহ ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে। সেখানে পুরুষদের উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন ও বিকৃত যৌনাচারের ভিডিও প্রচার করা হয়। এই কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তিরা টেলিগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে এসব ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। জড়িত নারীরা নিজেদের “মিসট্রেস” হিসেবে পরিচয় দেন এবং পুরুষরা টাকার বিনিময়ে তাদের কাছে নির্যাতিত হতে আগ্রহী হন, যা “ফেমডম সেশন” নামে পরিচিত। বাদী আব্দুল্লাহ শিখা আক্তার নামে একজনের সঙ্গে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে যোগাযোগ করেন এবং তাদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ৫০০ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় যেতে বলা হয়। আব্দুল্লাহ ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সেখানে যান। গিয়ে দেখতে পায় শিখা আক্তার ও সুইটি আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন একজন পুরুষকে উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন করছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। এ ঘটনায় বাদী আব্দুল্লাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভাটারা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন-এর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ

আপডেট সময় ০২:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। শিখা আক্তার (২৫) ২। সুইটি আক্তার জারা (২৫)।
বৃহস্পতিবার (১ মে ২০২৫ খ্রি.) রাত ৩:০০ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি-ব্লকের একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত হতে বিকৃত যৌন কাজে ব্যবহৃত একটি চাবুক, পরিধেয় বিশেষ পোষাক, হাই হিল বুট জুতা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ভাটারা থানা সূত্রে জানা যায়, জনৈক মো. আব্দুল্লাহ ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে। সেখানে পুরুষদের উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন ও বিকৃত যৌনাচারের ভিডিও প্রচার করা হয়। এই কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তিরা টেলিগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে এসব ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। জড়িত নারীরা নিজেদের “মিসট্রেস” হিসেবে পরিচয় দেন এবং পুরুষরা টাকার বিনিময়ে তাদের কাছে নির্যাতিত হতে আগ্রহী হন, যা “ফেমডম সেশন” নামে পরিচিত। বাদী আব্দুল্লাহ শিখা আক্তার নামে একজনের সঙ্গে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে যোগাযোগ করেন এবং তাদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ৫০০ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় যেতে বলা হয়। আব্দুল্লাহ ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সেখানে যান। গিয়ে দেখতে পায় শিখা আক্তার ও সুইটি আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন একজন পুরুষকে উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন করছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। এ ঘটনায় বাদী আব্দুল্লাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভাটারা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।