ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আগামী পাঁচ বছরের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ওপর – আলী ইমাম মজুমদার Logo গণভোট ও নির্বাচনের জন্য আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে – উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান Logo গণভোটে ঐক্যমত (হ্যাঁ) রাষ্ট্র সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে মালয়শিয়ায় সর্বদলীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। Logo পুরুষ–নারীর কিচ্ছা : এলো নির্বাচনি ইচ্ছা ।। সম্পাদক  সৈয়দা রাশিদা বারী Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে Logo মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ Logo মধ্যনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তার। Logo ইতালি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সমর্থন করে, জুলাই সনদ: উপমন্ত্রী Logo হারিয়ে যাওয়া ১০৫টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিলো পল্টন থানা পুলিশ Logo ভারত বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সরিয়ে নিচ্ছে

প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে দেশকে গড়ি : মির্জা ফখরুল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম। সেই সময়ের যে অসাধারণ ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য নিয়ে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম স্বাধীনতার জন্য—সেই বোধ, সেই চেতনা, সেই ঐক্যকে যেন আমরা অটুট রাখতে পারি। আজকে কোনো শক্তি যেন আমাদেরকে বিভক্ত করতে না পারে। তাই আসুন—বিভাজন নয়, ঐক্য। প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে আমরা দেশটাকে সবাই মিলে গড়ি। শুক্রবার (৯ মে) বিকালে রাজধানীর ফার্মগেট খামারবাড়ি বার্ক মিলনায়তনে ‘ইস্টার পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরাম। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে দর্শন দিয়েছেন, এই দর্শনে কিন্তু সব ধর্মের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বলা হয়েছে ধর্মীয় মূল্যবোধকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঠিক একইভাবে কেউ সংখ্যালঘু বললেই তিনি রেগে যেতেন। সংখ্যালঘু বলতে বাংলাদেশে কিছু নেই, এখানে সবাই বাংলাদেশি। বিএনপির এই মহাসচিব বলেন, আজকে আমরা একটা সংকটময় মুহূর্ত পার করছি। গণতন্ত্র আমরা চাই, সবাই চাই। এই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা লড়াই করেছি। আমাদের অসংখ্য ছেলে, শিশু সন্তান প্রাণ দিয়েছেন। আমরা কষ্ট করেছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাসিত হয়ে তিনি এখনো আছেন। আমরা সবাই কারাগারে গেছি। একটি মাত্র উদ্দেশ্যে—গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চাই। এমন একটা রাষ্ট্র চাই, যেখানে সবাই সবার কথা বলতে পারবে। সমান অধিকার থাকবে এবং সে তার ভোট দিয়ে তার প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবে। আমরা আশা করব, সবাই মিলে সেই সুযোগের সৎব্যবহার করে সত্যিকার অর্থে একটা ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে সক্ষম হবো। বিভাজন নয়, ঐক্য। প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে আমরা দেশটাকে তৈরি করব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী পাঁচ বছরের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ওপর – আলী ইমাম মজুমদার

প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে দেশকে গড়ি : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:২৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম। সেই সময়ের যে অসাধারণ ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য নিয়ে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম স্বাধীনতার জন্য—সেই বোধ, সেই চেতনা, সেই ঐক্যকে যেন আমরা অটুট রাখতে পারি। আজকে কোনো শক্তি যেন আমাদেরকে বিভক্ত করতে না পারে। তাই আসুন—বিভাজন নয়, ঐক্য। প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে আমরা দেশটাকে সবাই মিলে গড়ি। শুক্রবার (৯ মে) বিকালে রাজধানীর ফার্মগেট খামারবাড়ি বার্ক মিলনায়তনে ‘ইস্টার পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরাম। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে দর্শন দিয়েছেন, এই দর্শনে কিন্তু সব ধর্মের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বলা হয়েছে ধর্মীয় মূল্যবোধকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঠিক একইভাবে কেউ সংখ্যালঘু বললেই তিনি রেগে যেতেন। সংখ্যালঘু বলতে বাংলাদেশে কিছু নেই, এখানে সবাই বাংলাদেশি। বিএনপির এই মহাসচিব বলেন, আজকে আমরা একটা সংকটময় মুহূর্ত পার করছি। গণতন্ত্র আমরা চাই, সবাই চাই। এই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা লড়াই করেছি। আমাদের অসংখ্য ছেলে, শিশু সন্তান প্রাণ দিয়েছেন। আমরা কষ্ট করেছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাসিত হয়ে তিনি এখনো আছেন। আমরা সবাই কারাগারে গেছি। একটি মাত্র উদ্দেশ্যে—গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চাই। এমন একটা রাষ্ট্র চাই, যেখানে সবাই সবার কথা বলতে পারবে। সমান অধিকার থাকবে এবং সে তার ভোট দিয়ে তার প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবে। আমরা আশা করব, সবাই মিলে সেই সুযোগের সৎব্যবহার করে সত্যিকার অর্থে একটা ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে সক্ষম হবো। বিভাজন নয়, ঐক্য। প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে আমরা দেশটাকে তৈরি করব।