ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাজারীবাগ থানা পুলিশ দুই কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে  Logo পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবদল নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন। Logo পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানুষের কল্যাণে প্রতিদিন এর প্রতিনিধি মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক। Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার রায়। Logo জুলাই শহীদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে -বাউফলে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার অনুষ্ঠানে ড.  সুফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি Logo নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী Logo ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান সুমন। Logo পদ্মা সেতু ও যমুনা সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ টোল আদায় ও যানবাহন পারাপার Logo ডিবিপিএল ২০২৬: আদর্শ গ্রাম গড়ার প্রত্যয়ে রাণীনগরে বর্ণাঢ্য ট্রফি উন্মোচন Logo দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করাই হালনাগাদের মূল লক্ষ্য; দেশীয় বিশেষজ্ঞ ও আইইউসিএনের সমন্বয়ে কার্যক্রম এগোচ্ছে।

দেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরনণের উদ্দেশ্য ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা – পরিবেশ উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৩ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণের উদ্দেশ্য হলো ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সেটা করা না গেলে তালিকা প্রণয়ন করা অর্থহীন।

বন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের প্রাণীকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান IUCN বাংলাদেশের ‘Updating the existing red list of fauna and other activities’ বাস্তবায়নে বন বিভাগ আইইউসিএন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় আজ ঢাকায় রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়র সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সরকার উইং প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে মূল্যবোধ থাকতে হবে; তাদেরকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আসতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও কৌশলগত সংরক্ষণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ করা হচ্ছে, যেখানে আইইউসিএন কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি দেশীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে, যা জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করে তুলবে।

প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ প্রকল্পের পরিচালক জনাব মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, প্রকল্পের টিম লিডার ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিপাশা এস. হোসেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, গবেষক, একাডেমিশিয়ানরা অংশগ্রহণ করেন। নয়টি ট্যাক্সোনমিক গ্রুপে বিস্তারিত কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেড লিস্ট মূল্যায়নের পরিধি, পদ্ধতি, সমন্বয় কাঠামো এবং সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২০১৫ সালে পরিচালিত জাতীয় মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগের আওতায় প্রায় ২,২০০টি প্রাণি প্রজাতির সংরক্ষণ, অবস্থা মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজারীবাগ থানা পুলিশ দুই কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে 

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করাই হালনাগাদের মূল লক্ষ্য; দেশীয় বিশেষজ্ঞ ও আইইউসিএনের সমন্বয়ে কার্যক্রম এগোচ্ছে।

দেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরনণের উদ্দেশ্য ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা – পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণের উদ্দেশ্য হলো ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সেটা করা না গেলে তালিকা প্রণয়ন করা অর্থহীন।

বন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের প্রাণীকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান IUCN বাংলাদেশের ‘Updating the existing red list of fauna and other activities’ বাস্তবায়নে বন বিভাগ আইইউসিএন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় আজ ঢাকায় রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়র সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সরকার উইং প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে মূল্যবোধ থাকতে হবে; তাদেরকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আসতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও কৌশলগত সংরক্ষণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ করা হচ্ছে, যেখানে আইইউসিএন কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি দেশীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে, যা জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করে তুলবে।

প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ প্রকল্পের পরিচালক জনাব মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, প্রকল্পের টিম লিডার ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিপাশা এস. হোসেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, গবেষক, একাডেমিশিয়ানরা অংশগ্রহণ করেন। নয়টি ট্যাক্সোনমিক গ্রুপে বিস্তারিত কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেড লিস্ট মূল্যায়নের পরিধি, পদ্ধতি, সমন্বয় কাঠামো এবং সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২০১৫ সালে পরিচালিত জাতীয় মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগের আওতায় প্রায় ২,২০০টি প্রাণি প্রজাতির সংরক্ষণ, অবস্থা মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।