ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মতিঝিল স্টেশনে নতুন নিয়ম মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে Logo তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সঠিক, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের  বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ Logo নিরাপদ ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর পদক্ষেপ Logo বস্ত্র ও পাটমন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে’ পাটশিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থানসৃষ্টি করুন’ প্রতিপাদ্যে আগামীকাল ৬মার্চ-জাতীয় পাট দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। Logo বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৯ জনকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী ও হাজারীবাগ থানা পুলিশ Logo প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা, অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর Logo জাপান ও ইউএনএইচসিআর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে Logo ‘উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে’ – ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান Logo আমরা ধানমন্ডিবাসী’র উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করাই হালনাগাদের মূল লক্ষ্য; দেশীয় বিশেষজ্ঞ ও আইইউসিএনের সমন্বয়ে কার্যক্রম এগোচ্ছে।

দেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরনণের উদ্দেশ্য ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা – পরিবেশ উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণের উদ্দেশ্য হলো ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সেটা করা না গেলে তালিকা প্রণয়ন করা অর্থহীন।

বন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের প্রাণীকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান IUCN বাংলাদেশের ‘Updating the existing red list of fauna and other activities’ বাস্তবায়নে বন বিভাগ আইইউসিএন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় আজ ঢাকায় রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়র সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সরকার উইং প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে মূল্যবোধ থাকতে হবে; তাদেরকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আসতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও কৌশলগত সংরক্ষণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ করা হচ্ছে, যেখানে আইইউসিএন কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি দেশীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে, যা জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করে তুলবে।

প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ প্রকল্পের পরিচালক জনাব মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, প্রকল্পের টিম লিডার ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিপাশা এস. হোসেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, গবেষক, একাডেমিশিয়ানরা অংশগ্রহণ করেন। নয়টি ট্যাক্সোনমিক গ্রুপে বিস্তারিত কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেড লিস্ট মূল্যায়নের পরিধি, পদ্ধতি, সমন্বয় কাঠামো এবং সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২০১৫ সালে পরিচালিত জাতীয় মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগের আওতায় প্রায় ২,২০০টি প্রাণি প্রজাতির সংরক্ষণ, অবস্থা মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মতিঝিল স্টেশনে নতুন নিয়ম মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করাই হালনাগাদের মূল লক্ষ্য; দেশীয় বিশেষজ্ঞ ও আইইউসিএনের সমন্বয়ে কার্যক্রম এগোচ্ছে।

দেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরনণের উদ্দেশ্য ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা – পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণের উদ্দেশ্য হলো ধাপে ধাপে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সেটা করা না গেলে তালিকা প্রণয়ন করা অর্থহীন।

বন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের প্রাণীকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান IUCN বাংলাদেশের ‘Updating the existing red list of fauna and other activities’ বাস্তবায়নে বন বিভাগ আইইউসিএন বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় আজ ঢাকায় রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়র সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

উপদেষ্টা বলেন, দেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সরকার উইং প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে মূল্যবোধ থাকতে হবে; তাদেরকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে। তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আসতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও কৌশলগত সংরক্ষণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ করা হচ্ছে, যেখানে আইইউসিএন কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি দেশীয় জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে, যা জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করে তুলবে।

প্রধান বন সংরক্ষক জনাব মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের প্রাণিকুলের রেড লিস্ট হালনাগাদ প্রকল্পের পরিচালক জনাব মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, প্রকল্পের টিম লিডার ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী, আইইউসিএন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিপাশা এস. হোসেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, গবেষক, একাডেমিশিয়ানরা অংশগ্রহণ করেন। নয়টি ট্যাক্সোনমিক গ্রুপে বিস্তারিত কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেড লিস্ট মূল্যায়নের পরিধি, পদ্ধতি, সমন্বয় কাঠামো এবং সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

২০১৫ সালে পরিচালিত জাতীয় মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এই উদ্যোগের আওতায় প্রায় ২,২০০টি প্রাণি প্রজাতির সংরক্ষণ, অবস্থা মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।