ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হবিগঞ্জের সাতছড়ি সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ী বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ৫৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ১৫ বোতল বিয়ার জব্দ করেছে বিজিবি Logo বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ Logo স্কুলে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মাদক ও অপরাধ হ্রাসে ভাষানটেকে ৪৫০টি এলইডি বাতি স্থাপন করলো ডিএনসিসি। Logo কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৫তম সভায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন Logo বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo নৌপরিবহন অধিদপ্তর কতৃক কর্ণফুলী নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, ১১টি মামলায় অর্থদণ্ড Logo মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের নতুন ডিজি শায়লা শার্মিল Logo আইএলও’র সঙ্গে বৈঠকে সামাজিক সুরক্ষা ও নারী-শিশু উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার Logo বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনার এর বৈঠক
গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় কেরানীগঞ্জ থেকে আসামি আটক, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন এলাকায় চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোঃ মুন্না (২৪) ২। মোঃ আকতার হোসেন (৪৫) ৩। মোঃ মিরাজ ফকির (২২) ও ৪। মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২:৫০ ঘটিকায় মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে রাস্তায় ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা ধারালো চাকু এবং ইট দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন ভিকটিম। পরে পুলিশ আশেপাশের লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আসাদুলের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি টিম গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের পরিচয় ও পরবর্তীতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আাটক করে। পরবর্তীতে তাদের হেফাজত হতে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম আসাদুল ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আসামি আকতার হোসেনকে একসময় নিহত আসাদুল মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং সেই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যা করা হয় বলে আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। এছাড়া টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল মর্মে তথ্য পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের  বিরুদ্ধে দুইটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের সাতছড়ি সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ী বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ৫৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ১৫ বোতল বিয়ার জব্দ করেছে বিজিবি

গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় কেরানীগঞ্জ থেকে আসামি আটক, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আলী আহসান রবি : রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন এলাকায় চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোঃ মুন্না (২৪) ২। মোঃ আকতার হোসেন (৪৫) ৩। মোঃ মিরাজ ফকির (২২) ও ৪। মোঃ নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২:৫০ ঘটিকায় মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে রাস্তায় ভিকটিম আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা ধারালো চাকু এবং ইট দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন ভিকটিম। পরে পুলিশ আশেপাশের লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আসাদুলের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, মামলা রুজুর পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি টিম গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের পরিচয় ও পরবর্তীতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আাটক করে। পরবর্তীতে তাদের হেফাজত হতে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম আসাদুল ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আসামি আকতার হোসেনকে একসময় নিহত আসাদুল মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং সেই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যা করা হয় বলে আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। এছাড়া টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল মর্মে তথ্য পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের  বিরুদ্ধে দুইটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।