ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিনিয়োগ সংস্কারে গতি আনতে ইউএনডিপি, বিডা ও আঙ্কটাডের উদ্যোগে ইনভেস্টমেন্ট পলিসি রিভিউ ইমপ্লিমেন্টেশন রিপোর্ট প্রকাশ Logo কৃষকের ভাগ্য বদলাতেই শহীদ জিয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন — পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান Logo স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়মঃ নিম্নমানের পচা খাবারে অসুস্থ হচ্ছে শিশুরা’ শীর্ষক  সংবাদটি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে Logo জকিগঞ্জে বিজিবির ‘আলোর পথে’ কর্মসূচি, বেকার যুবকদের জন্য এলইডি বাল্ব প্রশিক্ষণ Logo মধ্যনগরে শালদীঘা হাওরে সুইস গেইট নির্মাণের দাবি,ফসলহানিতে দিশেহারা কৃষক। Logo বাউফলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সেবায় ছাত্রশিবিরের হেল্প ডেস্ক Logo এশিয়ান বিচ গেমসে ব্রোঞ্জ জয়ী নারী কাবাডি দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন Logo আইপিটিভি ওনার্স এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৯,৯৭০ পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য জব্দ Logo প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মে চলমান; আন্দোলনকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
রাঙ্গামাটিতে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার খাল পুনঃখনন উদ্বোধন; কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের নতুন কর্মসূচির ঘোষণা

কৃষকের ভাগ্য বদলাতেই শহীদ জিয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন — পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান, এমপি বলেছেন, দেশের কৃষকের সার্বিক উন্নতি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়েই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, শহীদ জিয়ার পর যারা বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা নদী-খাল খনন তো করেনইনি, বরং নদী-খাল দখলে মত্ত ছিলেন।

আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আজ সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনঃখনন কাজের শুভ সূচনা করেন।

এর মধ্যে রয়েছে মানিকছড়ি ছড়া ব্রিজ হতে বড়পাড়া নালা পর্যন্ত খনন। এছাড়া কুতুকছড়ি বাজার হতে মোনতলা পর্যন্ত মাউরুম ও বগাছড়ি পর্যন্ত খাল খনন।

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় আবারও দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন:

বিগত সরকারের সময়ে এই জনহিতকর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এবং জবরদখলের প্রতিযোগিতায় অনেক খাল ভরাট হয়ে গিয়েছিল। ফলে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়া ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়, যা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করেছে।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও জানান, খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু কৃষি উৎপাদনই বাড়বে না, বরং এই এলাকায় নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে। স্থানীয় কর্মক্ষম ব্যক্তিদের আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে, যা পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপ-সচিব) রবীন্দ্র চাকমা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হোসেন চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহাম্মদ সফি, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগ সংস্কারে গতি আনতে ইউএনডিপি, বিডা ও আঙ্কটাডের উদ্যোগে ইনভেস্টমেন্ট পলিসি রিভিউ ইমপ্লিমেন্টেশন রিপোর্ট প্রকাশ

রাঙ্গামাটিতে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার খাল পুনঃখনন উদ্বোধন; কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের নতুন কর্মসূচির ঘোষণা

কৃষকের ভাগ্য বদলাতেই শহীদ জিয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন — পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আলী আহসান রবি : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান, এমপি বলেছেন, দেশের কৃষকের সার্বিক উন্নতি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়েই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, শহীদ জিয়ার পর যারা বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা নদী-খাল খনন তো করেনইনি, বরং নদী-খাল দখলে মত্ত ছিলেন।

আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আজ সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনঃখনন কাজের শুভ সূচনা করেন।

এর মধ্যে রয়েছে মানিকছড়ি ছড়া ব্রিজ হতে বড়পাড়া নালা পর্যন্ত খনন। এছাড়া কুতুকছড়ি বাজার হতে মোনতলা পর্যন্ত মাউরুম ও বগাছড়ি পর্যন্ত খাল খনন।

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় আবারও দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন:

বিগত সরকারের সময়ে এই জনহিতকর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এবং জবরদখলের প্রতিযোগিতায় অনেক খাল ভরাট হয়ে গিয়েছিল। ফলে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়া ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়, যা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করেছে।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও জানান, খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু কৃষি উৎপাদনই বাড়বে না, বরং এই এলাকায় নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে। স্থানীয় কর্মক্ষম ব্যক্তিদের আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে, যা পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপ-সচিব) রবীন্দ্র চাকমা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হোসেন চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহাম্মদ সফি, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।