ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বাউফলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনা সদস্যসহ আহত -১৪

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৬১৭ বার পড়া হয়েছে

মো: খলিলুর রহমান. বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর বাউফলে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুই পক্ষের ১৪ জন আহত হয়েছে। ওই ঘটনায় একজন সেনা সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ৩ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার দক্ষিন কনকদিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। সূত্র জানায়, উপজেলার দক্ষিন কনকদিয়া হাওলাদার বাড়ীর আনোয়ার হোসেন ও আবদুর রহিম গংদের সাথে সোয়া তিন শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিলো। সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের মানীত শালিশ মাহবুব খান, সালাম মোল্লা ও সার্ভেয়ার ফরহাদ তালুকদার বিরোধপূর্ণ জমিজমার বিষয় আনোয়ার গংদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু এতে মনপুত হয়নি রহিম গংদের। সেনা সদস্য আবদুর রহিম ছুটিতে এসে বাউফলের অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। বিষয়টি সেনা বাহিনী আমলে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি প্রতীক কুমার কুন্ডকে দায়িত্ব দেন।

ভূমি অফিস সকল কাগজ পর্যালোচনা করে আনোয়ার গংদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। আর এতেই চরম ক্ষিপ্ত হন সেনা সদস্য আবদুর রহিম। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিলবিলাস, মদনপুরা ও কনকদিয়া এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র লাঠি ও রামদা নিয়ে আনোয়ার গংদের বসত ঘরে হামলা চালায়। বসত ঘরে রক্ষিত সকল মালামাল ঘরের বেড়া ও ছোট বাচ্চাদের উপরও হামলা করে তারা। বাঁধা দিলে মোসা রিনা (২৮), স্বামী সুমন হাওলাদার, মোসা শিরীনা বেগম (২৫) স্বামী শামিম হাওলাদার, মো. শহিদ হাওলাদার (৫২), মো. মনির হোসেন (৩৫), মো. তানভির হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, ফজলুল করিম, শামীম হাওলাদার ও ছোট্ট শিশু (৯) সাদিয়াসহ প্রায় ১১ জন আহত হয়। ওই সময় সেনা সদস্য আবদুর রহিমও গুরুতর আহত হন। দুপুর ১টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। ওই সময় তারা ৬ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। আহতদের মধ্যে রিনা. শিরীন ও শহীদের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎস্যার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, আবদুর রহিম যখনই এলাকায় আসেন তখনই বখাটে ছেলেদের নিয়ে এলাকার ভিতরে ত্রাসের সৃষ্টি করেন। অপরদিকে আবদুর রহিম জানান, তারা আওয়ামী দোষর, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের জমি দখল করে নিয়েছে। আমি আমার পূর্ব পুরুষের সম্পত্তি রক্ষার জন্য দখলে গেলে তারা আমার উপর হামলা করে আমাকে গুরুরতর জখম করে। বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

বাউফলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনা সদস্যসহ আহত -১৪

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

মো: খলিলুর রহমান. বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর বাউফলে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুই পক্ষের ১৪ জন আহত হয়েছে। ওই ঘটনায় একজন সেনা সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ৩ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার দক্ষিন কনকদিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। সূত্র জানায়, উপজেলার দক্ষিন কনকদিয়া হাওলাদার বাড়ীর আনোয়ার হোসেন ও আবদুর রহিম গংদের সাথে সোয়া তিন শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিলো। সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের মানীত শালিশ মাহবুব খান, সালাম মোল্লা ও সার্ভেয়ার ফরহাদ তালুকদার বিরোধপূর্ণ জমিজমার বিষয় আনোয়ার গংদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু এতে মনপুত হয়নি রহিম গংদের। সেনা সদস্য আবদুর রহিম ছুটিতে এসে বাউফলের অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। বিষয়টি সেনা বাহিনী আমলে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি প্রতীক কুমার কুন্ডকে দায়িত্ব দেন।

ভূমি অফিস সকল কাগজ পর্যালোচনা করে আনোয়ার গংদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। আর এতেই চরম ক্ষিপ্ত হন সেনা সদস্য আবদুর রহিম। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বিলবিলাস, মদনপুরা ও কনকদিয়া এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র লাঠি ও রামদা নিয়ে আনোয়ার গংদের বসত ঘরে হামলা চালায়। বসত ঘরে রক্ষিত সকল মালামাল ঘরের বেড়া ও ছোট বাচ্চাদের উপরও হামলা করে তারা। বাঁধা দিলে মোসা রিনা (২৮), স্বামী সুমন হাওলাদার, মোসা শিরীনা বেগম (২৫) স্বামী শামিম হাওলাদার, মো. শহিদ হাওলাদার (৫২), মো. মনির হোসেন (৩৫), মো. তানভির হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, ফজলুল করিম, শামীম হাওলাদার ও ছোট্ট শিশু (৯) সাদিয়াসহ প্রায় ১১ জন আহত হয়। ওই সময় সেনা সদস্য আবদুর রহিমও গুরুতর আহত হন। দুপুর ১টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। ওই সময় তারা ৬ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। আহতদের মধ্যে রিনা. শিরীন ও শহীদের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎস্যার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, আবদুর রহিম যখনই এলাকায় আসেন তখনই বখাটে ছেলেদের নিয়ে এলাকার ভিতরে ত্রাসের সৃষ্টি করেন। অপরদিকে আবদুর রহিম জানান, তারা আওয়ামী দোষর, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের জমি দখল করে নিয়েছে। আমি আমার পূর্ব পুরুষের সম্পত্তি রক্ষার জন্য দখলে গেলে তারা আমার উপর হামলা করে আমাকে গুরুরতর জখম করে। বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।