ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন টাস্কের নামে এক কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সিআইডির অভিযানে কুমিল্লার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রতারক চক্রের আরেক সদস্য গ্রেফতার করল সিআইডি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে
ডেস্ক নিউজ : অনলাইন প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে টাস্ক সম্পন্নের মাধ্যমে সহজ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় প্রতারক চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)। তিনি কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানাধীন ভাওরখোলা ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আবদুর রাজ্জাক এবং মাতা সোবেদা বেগম। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ি থানার ধলপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর সাইবার পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের একটি চৌকশ আভিযানিক দল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণাপূর্বক এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়।
বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে তাকে অনলাইন পার্টটাইম কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বাসায় বসে অবসর সময়ে কাজ করে আয় করা যাবে—এমন আশ্বাসে রাজি হয়ে তিনি চক্রের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করতে থাকেন। প্রথমে অল্প পরিমাণ অর্থ পেলেও পরবর্তীতে বিনিয়োগের নামে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। টাকা উত্তোলনে বাধা সৃষ্টি করে বিভিন্ন বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
এক পর্যায়ে টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক চক্রটি বাদীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে বাদী লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় রুজু হয়।
মামলা রুজুর পর সিআইডি তদন্ত শুরু করে। এর আগে চক্রের মূলহোতা নাদিম (৩২) কে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন।
পরবর্তী তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দসহ রিমান্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) পরিচালনা করছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: সিআইডি, বাংলাদেশ পুলিশ (সাইবার পুলিশ সেন্টার – সিপিসি)
জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

অনলাইন টাস্কের নামে এক কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সিআইডির অভিযানে কুমিল্লার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রতারক চক্রের আরেক সদস্য গ্রেফতার করল সিআইডি

আপডেট সময় ১১:২৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
ডেস্ক নিউজ : অনলাইন প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে টাস্ক সম্পন্নের মাধ্যমে সহজ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় প্রতারক চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)। তিনি কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানাধীন ভাওরখোলা ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আবদুর রাজ্জাক এবং মাতা সোবেদা বেগম। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ি থানার ধলপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর সাইবার পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের একটি চৌকশ আভিযানিক দল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট চারটি পৃথক বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণাপূর্বক এক কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়।
বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি অজ্ঞাত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে তাকে অনলাইন পার্টটাইম কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বাসায় বসে অবসর সময়ে কাজ করে আয় করা যাবে—এমন আশ্বাসে রাজি হয়ে তিনি চক্রের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি ওয়ালেট খুলে টাস্ক সম্পন্ন করতে থাকেন। প্রথমে অল্প পরিমাণ অর্থ পেলেও পরবর্তীতে বিনিয়োগের নামে ধাপে ধাপে বিপুল অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। টাকা উত্তোলনে বাধা সৃষ্টি করে বিভিন্ন বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
এক পর্যায়ে টাকা ফেরত চাইলে প্রতারক চক্রটি বাদীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে বাদী লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় রুজু হয়।
মামলা রুজুর পর সিআইডি তদন্ত শুরু করে। এর আগে চক্রের মূলহোতা নাদিম (৩২) কে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন।
পরবর্তী তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য মো. সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দসহ রিমান্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) পরিচালনা করছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: সিআইডি, বাংলাদেশ পুলিশ (সাইবার পুলিশ সেন্টার – সিপিসি)