ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
বুয়েটে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনীতে অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনই টেকসই ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বইয়েই সবুজ শিল্পয়ন ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব শিক্ষা উপদেষ্টা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমেই সবুজ শিল্পায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব-এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার । তিনি আজ ঢাকায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “2nd International Conference on Frontiers in Science : Innovation and Technology for Greener Industry” (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও সবুজ শিল্পায়ন) বিষয়ক দুই দিন ব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য “ Let the people breathe green”

বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের সমন্বয় যেখানে ঘটছে-সে ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা উদ্যোগগুলোই ভবিষ্যতের টেকসই সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। তিনি বলেন, এই সম্মেলন তরুণ গবেষক, শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে বলেন, সবুজায়ন কেবল প্রতীকী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ না রেখে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বৈজ্ঞানিক সমাধানের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় উৎসাহ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার এবং বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। তিনি বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গবেষণার ফলাফলকে বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সবুজ শিল্পয়ন ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পেটেন্টিং বা মেধাস্বত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার এই সময়ে নিজস্ব মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে আমরা কেবল ভোক্তায় পরিণত হব, উদ্যোক্তা হতে পারব না-যদিও আমাদের প্রতিভার কোনো অভাব নেই।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের সম্মেলনের আলোচনালব্ধ সুপারিশ ভবিষ্যতে নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, পৃষ্ঠপোষক ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বুয়েটে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনীতে অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনই টেকসই ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বইয়েই সবুজ শিল্পয়ন ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব শিক্ষা উপদেষ্টা।

আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমেই সবুজ শিল্পায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব-এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার । তিনি আজ ঢাকায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “2nd International Conference on Frontiers in Science : Innovation and Technology for Greener Industry” (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও সবুজ শিল্পায়ন) বিষয়ক দুই দিন ব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য “ Let the people breathe green”

বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের সমন্বয় যেখানে ঘটছে-সে ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা উদ্যোগগুলোই ভবিষ্যতের টেকসই সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। তিনি বলেন, এই সম্মেলন তরুণ গবেষক, শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় ও আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে বলেন, সবুজায়ন কেবল প্রতীকী কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ না রেখে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বৈজ্ঞানিক সমাধানের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় উৎসাহ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার এবং বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। তিনি বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গবেষণার ফলাফলকে বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সবুজ শিল্পয়ন ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পেটেন্টিং বা মেধাস্বত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার এই সময়ে নিজস্ব মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে আমরা কেবল ভোক্তায় পরিণত হব, উদ্যোক্তা হতে পারব না-যদিও আমাদের প্রতিভার কোনো অভাব নেই।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের সম্মেলনের আলোচনালব্ধ সুপারিশ ভবিষ্যতে নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, পৃষ্ঠপোষক ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।