
আলী আহসান রবি : কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের কৃষিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কাজ করছে সরকার।
মন্ত্রী আজ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক কুমিল্লা মুঃ রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাজী জসিম উদ্দিন এমপি,আতিকুল আলম শাওন এমপি, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কৃষি সচিব ড.রফিকুল ই মোহামেদ, মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.দেলোয়ার হোসেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের ৭০ শতাংশ জনগণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। দেশের কৃষি শক্তিশালী হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে দেশ পুনরুদ্ধারে যে ৩১ দফা রুপরেখা দিয়েছিলেন সেখানে কৃষিখাতের উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলে। নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষকের জন্য স্বতন্ত্র কৃষক কার্ড প্রদানের অঙ্গীকার করা হয়েছিলো। সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কৃষক কার্ড চালুর প্রাক-পাইলটিং শুরু হয়। আজ কুমিল্লার অরণ্যপুর ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণের মাধ্যমে দেশের ১০ টি জেলার ১১ টি উপজেলার ১১ টি কৃষি ব্লকের ২২০৬৫ জন কৃষককে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হলো। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে কৃষি কার্ড দেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে দেশ থেকে মধ্যস্বত্যভোগীর দৌরাত্ব শেষ হবে। কৃষক প্রতিটি পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক ২৫০০ টাকার প্রণোদনা পাবেন, যা দিয়ে সার, বীজ, বালাইনাশক ও সকল ধরণের কৃষি সেবা ক্রয় করতে পারবেন।
কৃষির আধুনিকায়নে সরকার কৃষকদের ৫০ -৭০ শতাংশ ভর্তুকিমূল্যে যে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকগণ সে সুবিধাও পাবেন। কৃষি রৃণ ও কৃষি বীমার সুবিধাও এ কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে বলেও মন্ত্রী জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষিতে ব্যপক আকারে সোলারের মাধ্যমে সেচ পাম্প চালুর পরিকল্পনা আছে। কৃষক কার্ডধারী কৃষকটা সমবায়ের মাধ্যমে এ সুবিধা পাবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সমন্বিত কৃষকবান্ধব কর্মসুচির মাধ্যমে দেশের কৃষি স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।
এর আগে মন্ত্রী কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড ও ফলের চারা তুলে দেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলের পাশে স্থাপিত কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার স্টল ঘুরে দেখেন।
নিজস্ব সংবাদ : 



















