ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে দেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু করল এসকেএফ ও নভো নরডিস্ক Logo মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) এর সাথে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ। Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেভরনের প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে – রাঙ্গামাটিতে দীপেন দেওয়ান এমপি Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী Logo ডব্লিউটিও নোটিফিকেশন বিষয়ে জাতীয় প্রশিক্ষণ শুরু : বৈশ্বিক বাণিজ্যে আপডেট থাকতে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ Logo উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন
৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা

কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের উপকূলীয় ও নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমান ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এই বাহিনীকে অত্যাধুনিক লজিস্টিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আরো সমৃদ্ধ করা হবে।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওস্থ কোস্টগার্ড সদরদপ্তরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (রেইজিং ডে) উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিশাল জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যে ‘কোস্টগার্ড আইন’ প্রণীত হয়েছিল, তার মাধ্যমেই এই বাহিনীর যাত্রা শুরু। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের দুর্গম হাওর অঞ্চল এবং সুন্দরবনসহ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলেও কোস্টগার্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে যেখানে দুর্গমতার কারণে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কোস্টগার্ডকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান যুগে অপরাধীদের কৌশল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বেড়েছে। দুর্বৃত্তরা এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের মোকাবিলায় কোস্টগার্ডকেও সমভাবে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ ও আধুনিক সম্পদে সজ্জিত হতে হবে। এজন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কারের কাজ হাতে নেওয়া হবে।

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি শৃঙ্খলা পরিপন্থী বা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে, তবে বাহিনীর নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের মাধ্যমে তা খতিয়ে দেখা হয় এবং প্রচলিত সামরিক বা বিভাগীয় আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

দেশে জঙ্গি তৎপরতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে এই শব্দটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো। কিছু উগ্রবাদী বা র‍্যাডিক্যাল গ্রুপ সব দেশেই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার সতর্ক রয়েছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা গ্র্যাজুয়াল উইথড্রয়ালের (ধাপে ধাপে প্রত্যাহার) মধ্যে আছি। হঠাৎ পুরো ফোর্সকে প্রত্যাহার করা যায় না। তিনি আরো বলেন, খুব শিগগিরই ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যের সংখ্যা খুব সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসওপি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সবসময় বহাল থাকবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে দেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু করল এসকেএফ ও নভো নরডিস্ক

৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা

কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

আলী আহসান রবি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের উপকূলীয় ও নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমান ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এই বাহিনীকে অত্যাধুনিক লজিস্টিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আরো সমৃদ্ধ করা হবে।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওস্থ কোস্টগার্ড সদরদপ্তরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (রেইজিং ডে) উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিশাল জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যে ‘কোস্টগার্ড আইন’ প্রণীত হয়েছিল, তার মাধ্যমেই এই বাহিনীর যাত্রা শুরু। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের দুর্গম হাওর অঞ্চল এবং সুন্দরবনসহ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলেও কোস্টগার্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে যেখানে দুর্গমতার কারণে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কোস্টগার্ডকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান যুগে অপরাধীদের কৌশল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বেড়েছে। দুর্বৃত্তরা এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের মোকাবিলায় কোস্টগার্ডকেও সমভাবে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ ও আধুনিক সম্পদে সজ্জিত হতে হবে। এজন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কারের কাজ হাতে নেওয়া হবে।

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি শৃঙ্খলা পরিপন্থী বা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে, তবে বাহিনীর নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের মাধ্যমে তা খতিয়ে দেখা হয় এবং প্রচলিত সামরিক বা বিভাগীয় আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

দেশে জঙ্গি তৎপরতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে এই শব্দটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো। কিছু উগ্রবাদী বা র‍্যাডিক্যাল গ্রুপ সব দেশেই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার সতর্ক রয়েছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা গ্র্যাজুয়াল উইথড্রয়ালের (ধাপে ধাপে প্রত্যাহার) মধ্যে আছি। হঠাৎ পুরো ফোর্সকে প্রত্যাহার করা যায় না। তিনি আরো বলেন, খুব শিগগিরই ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যের সংখ্যা খুব সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসওপি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সবসময় বহাল থাকবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।