
পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর জেলাধীন উপজেলার ভান্ডারিয়া থানাধীন তেলিখালী ইউনিয়নস্হ গোলবুনিয়া ০৬ নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ীর মৃতঃ আঃ জলিল হাওলাদারের নিজ বসত ঘরে উক্ত ঘটনাটি ঘটে।
অদ্য ২৮ জানুয়ারী (মঙ্গলবার) ২০২৫ আনুমানিক গভীর রাতে,ভান্ডারিয়া উপজেলাধীন তেলিখালী ইউনিয়নস্থ গোলবুনিয়া বড়বাড়ীর মৃত আঃ জলিল হাওলাদার(৫৫),পিতা- মৃত. আজাহাল আলী, মাতা- মৃত. মকফুল বিবি.সাং-গোলবুনিয়া, ওয়ার্ড-০৬নং,থানা-ভান্ডারিয়া,জে লা-পিরোজপুর। গত ২৭/০১/২০২৫ইং তারিখ প্রতি দিনের ন্যায় রাত্রেরখাবার খেয়ে জলিল হাওলাদার ঘুমাতে যায়। তার ভাইয়ের ছেলের স্ত্রী মোাসাঃ সীমা বেগম(২৫),অদ্য ২৮/০১/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় পুকুরে পানি আনতে গেলে,আঃ জলিললের ঘরে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ভিকটিমের ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে উকি মেরে দেখে। তার চাচা শ্বশুর আঃ জলিল হাওলাদার বসত ঘড়ের আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস অবস্থায় ঝুলতেছে। সাথে সাথে সে ডাক চিৎকার দেয় এবং আশপাশের লোকজন এসে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সকলের ধারণা আঃ জলিল হাওলাদার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয় ভাবে জানা যায় মৃত. আঃ জলিল তিনটি বিবাহ করেন এবং একজন স্ত্রীও তার সাথে এখন নেই তারা সবাই অনুমান ০৩/০৪ বছর আগে তার কাছ থেকে চলে গেছে। মৃত. আঃ জলিলের দ্বিতীয় স্ত্রীরির একমাত্র ছেলে মোঃ সোলাইমান (৩৫) ভিকটিমের সাথে থাকতো। সোলাইমান গত ২২জানুয়ারি তার(বাবা)ভিকটিমের সাথে পারিবারিক ব্যাপারে রাগারাগি করে তার শ্বশুর বাড়ি ভোলা চলে যান। ঐ তারিখ থেকে ভিকটিম একাই নিজ ঘরে বসবাস করতেন মর্মে জানা যায়।
এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,মৃতের ঘটনা শুনে দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়,বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।