ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৫৯২ বার পড়া হয়েছে
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।