ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ…ড. খলিলুর রহমান Logo এনায়েতপুর যুবসমাজের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী আয়োজন: শিশু কিশোরদের কুরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  Logo ভিয়েনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা Logo কিশোরগঞ্জে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা বাচ্চু মিয়ার পরিবারের পাশে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আর্থিক সহায়তা প্রদান ও বাসস্থানের ঘোষণা Logo জনগুরুত্ব বিবেচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার – সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যেই চালু হলো সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আইসিইউ  Logo মধ্যনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম এর দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন। Logo প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী Logo গাবতলি বাস টার্মিনালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন আইজিপি ও ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার Logo বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ঘোষণা

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৫৮০ বার পড়া হয়েছে
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ…ড. খলিলুর রহমান

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।