ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৭

আপডেট সময় ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১৬ ইস্ট বেঙ্গল)
ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল গত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২য় স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জোনে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রাঙ্গামাটি জোনের অন্তর্গত মানিকছড়ি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার থাকাকালে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে প্রায় ১০ মাইল দূরে ‘মরকিলা’ নামক গ্রামে শান্তি বাহিনীর অবস্থান ও কার্যকলাপের তথ্য জানতে পারেন। তিনি দ্রুততার সাথে তাঁর অভিযান দল প্রস্তুত করে দুর্গম এলাকায় দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে লক্ষ্যবস্তুর নিকটে পৌঁছান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসী দল গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সেনাবাহিনীর অভিযান দল সুদক্ষভাবে বিভিন্ন অবস্থান থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করে এবং একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দলটি নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
এই অভিযানে শান্তি বাহিনীর ০৮ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং ০১ জনকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এছাড়াও ০৪ টি রাইফেল, ০১ টি এসএমজি, ৬৩০ টি রাইফেলের গুলি, মূল্যবান দলিল পত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য যে, নিজস্ব বাহিনীর ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেন, হাবিলদার ইমদাদ হোসেন, ল্যান্স নায়েক জাইদুল হোসেন ভূইয়া ও সিপাহী ভুবন মোহন ত্রিপুরা এই অভিযানে আহত হন।
পরবর্তীতে, গত ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্যাপ্টেন মোঃ মনোয়ার হোসেনকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।