ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রশাসন ও  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছবি-নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি তৈরি করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত এক প্রতারক গ্রেফতার Logo সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত: বাংলাদেশীদের জন্য হজ ও উমরাহ সেবায় নতুন গতি Logo জ্বালানী তেল মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে লালমনিরহাট সীমান্তে কার্যক্রম জোরদার করেছে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) Logo তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছেয ডিবি Logo বাংলাদেশ–দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে  দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo বাংলাদেশ–ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ Logo রাস্তায় হাঁটার সময় মানুষ যেন আমাদের ব্লেম দিতে না পারে— মশককর্মীদের উদ্দেশ্যে ডিএনসিসি প্রশাসক Logo ওমরাহ করতে সৌদি আরবে পৌছেছেন নাহিদ ইসলাম Logo সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo বাউফলে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম উদ্বোধন

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৮

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে
শহীদ ল্যান্স নায়েক মোঃ আবেদ আলী, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১২ ইস্ট বেংগল)
নম্বর ৩৯৮০৫৮১ শহীদ ল্যান্স নায়েক মোঃ আবেদ আলী, বীর বিক্রম, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২ ইস্ট বেঙ্গল (দি স্ট্রাইকিং টুয়েলভ) এর সাথে ১৯৮৮ সালে জুরাছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ তারিখে সকাল ১০১৫ ঘটিকায় জুরাছড়ি জোনের অন্তর্গত মদইন্যাপাড়া ক্যাম্প হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে মেজর শহীদ আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল বের হয়। অত্যন্ত সাহসী সেনাসদস্য হিসেবে সুপরিচিত ল্যান্স নায়েক আবেদ টহল দলের এক নম্বর স্কাউটের ভূমিকা পালন করছিলেন।
দুর্গম পাহাড়ে ঘন অরণ্যে টহল চলাকালীন আনুমানিক ১১০০ ঘটিকায় টহল দল শান্তি বাহিনীর অ্যামবুশে পতিত হয়। শান্তি বাহিনীর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিবর্ষণে ল্যান্স নায়েক আবেদ গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি বীরদর্পে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে তাঁর এসএমজি থেকে গুলি বর্ষণ করতে থাকেন। প্রায় ১৬ রাউন্ড গুলি বর্ষণের পর শান্তি বাহিনীর গ্রেনেডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মর্মান্তিকভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শান্তি বাহিনীকে প্রাণপণে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তাঁর অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রশাসন ও  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছবি-নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি তৈরি করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত এক প্রতারক গ্রেফতার

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৮

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
শহীদ ল্যান্স নায়েক মোঃ আবেদ আলী, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ১২ ইস্ট বেংগল)
নম্বর ৩৯৮০৫৮১ শহীদ ল্যান্স নায়েক মোঃ আবেদ আলী, বীর বিক্রম, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২ ইস্ট বেঙ্গল (দি স্ট্রাইকিং টুয়েলভ) এর সাথে ১৯৮৮ সালে জুরাছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ তারিখে সকাল ১০১৫ ঘটিকায় জুরাছড়ি জোনের অন্তর্গত মদইন্যাপাড়া ক্যাম্প হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে মেজর শহীদ আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি টহল দল বের হয়। অত্যন্ত সাহসী সেনাসদস্য হিসেবে সুপরিচিত ল্যান্স নায়েক আবেদ টহল দলের এক নম্বর স্কাউটের ভূমিকা পালন করছিলেন।
দুর্গম পাহাড়ে ঘন অরণ্যে টহল চলাকালীন আনুমানিক ১১০০ ঘটিকায় টহল দল শান্তি বাহিনীর অ্যামবুশে পতিত হয়। শান্তি বাহিনীর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিবর্ষণে ল্যান্স নায়েক আবেদ গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি বীরদর্পে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে তাঁর এসএমজি থেকে গুলি বর্ষণ করতে থাকেন। প্রায় ১৬ রাউন্ড গুলি বর্ষণের পর শান্তি বাহিনীর গ্রেনেডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং এক পর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মর্মান্তিকভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শান্তি বাহিনীকে প্রাণপণে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তাঁর অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করে।