ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাতক্ষীরার আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম Logo ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং ওরফে ডেঞ্জার গ্যাং এর ১৬ জন আটক Logo ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলখানার অন্য রকম এক চিত্র Logo কালিগঞ্জের কিষান মজদূর একাডেমী’র হীরক জয়ন্তী উদযাপন হয়েছে Logo আনন্দ-উচ্ছ্বাসে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঈদ পুনর্মিলনী Logo কালিগঞ্জেে দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ১ম পুনমিলনী অনুষ্ঠিত Logo বাউফলে আজ ১৪ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদ উৎসব Logo জাতীয় ঈদগাহ কেন্দ্রিক থাকবে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার Logo মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে- ধর্ম উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি: বৃহস্পতিবার (২৭ফেব্রুয়ারি ২০২৫): ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এ পর্যন্ত নির্মিত ৩৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অধিকাংশই কাঙ্ক্ষিত মানোত্তীর্ণ। তবে কিছু মসজিদের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজ দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে এবং এগুলো তদন্ত করা হবে। তদন্ত কমিটির নিকট হতে প্রতিবেদন প্রাপ্তিসাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রায় তিনমাস পূর্বে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মডেল মসজিদের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছে।

ড. খালিদ জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের বাকী ২১৪টি মসজিদ তৈরি করা হবে। এসব মসজিদ নির্মাণকাজ নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করা হবে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সরকারি অর্থায়নে এ মসজিদ নির্মাণ করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং মনিটরিংয়ের দায়িত্বে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী-পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামায আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা ও দীনি দাওয়াত কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্জযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ প্রভৃতির ব্যবস্থা রয়েছে। এসভায় উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম

মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে- ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আলী আহসান রবি: বৃহস্পতিবার (২৭ফেব্রুয়ারি ২০২৫): ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এ পর্যন্ত নির্মিত ৩৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অধিকাংশই কাঙ্ক্ষিত মানোত্তীর্ণ। তবে কিছু মসজিদের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজ দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে এবং এগুলো তদন্ত করা হবে। তদন্ত কমিটির নিকট হতে প্রতিবেদন প্রাপ্তিসাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রায় তিনমাস পূর্বে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মডেল মসজিদের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছে।

ড. খালিদ জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের বাকী ২১৪টি মসজিদ তৈরি করা হবে। এসব মসজিদ নির্মাণকাজ নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করা হবে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সরকারি অর্থায়নে এ মসজিদ নির্মাণ করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং মনিটরিংয়ের দায়িত্বে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী-পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামায আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা ও দীনি দাওয়াত কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্জযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ প্রভৃতির ব্যবস্থা রয়েছে। এসভায় উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।