ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ Logo বৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo উপকূল শুধু দুর্যোগের ক্ষেত্র নয়, অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি: জাতীয় উপকূল সম্মেলনে – হোসেন জিল্লুর রহমান Logo ভূমি জটিলতার মূল কারণ দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ Logo থাই রাষ্ট্রদূতের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের সনাক্ত করা হয়েছে: ডিএমপি Logo হর্নের মাধ্যমে শব্দদূষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ সার্জেন্টদের প্রতি পরিবেশ উপদেষ্টার আহ্বান Logo ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ Logo নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সরবরাহ করবে পুলিশ Logo বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জাতিসংঘ সংস্থাসমূহের সহযোগিতার আশ্বাস

সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা বাউফলের রাকিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে

মো: খলিলুর রহমান.বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা ফলাফল অর্জন করেছেন পটুয়াখালীর বাউফলের নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র মো: রাকিব হোসেন। ২০২২-২০২৩ইং শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রাকিব সার্ভে চতুর্থ ব্যাচের পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের কৃতিত্ব অর্জন করেন। রাকিবের বাবার নাম মো: রুহুল আমিন। রাকিব বাউফল ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউট সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থবারের মতো এবছরও দেশসেরা ফলাফল অর্জন করায় আনন্দ র‌্যালী করেছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের পরিচালক এম কে আর হাসনাইনের নেতৃত্বে র‌্যালিটি দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া পলিটেকনিক ইন্সটিউট থেকে শুরু করে উপজেলা হয়ে পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কলেজের চেয়ারম্যান স্যারে ও আমার ক্লাসের স্যারেরা। প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে চেয়ারম্যান স্যারে গেটে তালা লাগিয়ে দিতেন যার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের ক্লাস করতে হতো। ক্লাসের স্যারেরা প্রতিদিন দুই তিনটা বিষয়ে পরীক্ষা নিত। পরীক্ষার জন্য প্রতি রাতে আমাকে প্রস্তুতি নিতে হতো। এছাড়া আমার বাবা মা রাত জেগে আমার পাশে বসে থেকে আমার লেখা পড়ায় উৎসাহ দিতেন।
এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এম কে আর হাসনাইন বলেন. হাজার বছরের কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পটা শুনে এসেছি, আর সেটাকেই বাস্তবে কাজে লাগিয়েছি। প্রতিদিন সকাল ৮টায় গেট লক করে দিই এবাং ২টায় ওপেন করি। নিয়মিত টিউটিরিয়াল পরীক্ষা নিই যার জন্য ছাত্রছাত্রীকে প্রতিদিন কমবেশি লেখাপড়া করতে হয়। আর ভালো রেজাল্ট করার এটাই অন্যতম কারণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা বাউফলের রাকিব

আপডেট সময় ০৩:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

মো: খলিলুর রহমান.বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা ফলাফল অর্জন করেছেন পটুয়াখালীর বাউফলের নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র মো: রাকিব হোসেন। ২০২২-২০২৩ইং শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রাকিব সার্ভে চতুর্থ ব্যাচের পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের কৃতিত্ব অর্জন করেন। রাকিবের বাবার নাম মো: রুহুল আমিন। রাকিব বাউফল ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউট সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থবারের মতো এবছরও দেশসেরা ফলাফল অর্জন করায় আনন্দ র‌্যালী করেছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের পরিচালক এম কে আর হাসনাইনের নেতৃত্বে র‌্যালিটি দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া পলিটেকনিক ইন্সটিউট থেকে শুরু করে উপজেলা হয়ে পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কলেজের চেয়ারম্যান স্যারে ও আমার ক্লাসের স্যারেরা। প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে চেয়ারম্যান স্যারে গেটে তালা লাগিয়ে দিতেন যার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের ক্লাস করতে হতো। ক্লাসের স্যারেরা প্রতিদিন দুই তিনটা বিষয়ে পরীক্ষা নিত। পরীক্ষার জন্য প্রতি রাতে আমাকে প্রস্তুতি নিতে হতো। এছাড়া আমার বাবা মা রাত জেগে আমার পাশে বসে থেকে আমার লেখা পড়ায় উৎসাহ দিতেন।
এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এম কে আর হাসনাইন বলেন. হাজার বছরের কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পটা শুনে এসেছি, আর সেটাকেই বাস্তবে কাজে লাগিয়েছি। প্রতিদিন সকাল ৮টায় গেট লক করে দিই এবাং ২টায় ওপেন করি। নিয়মিত টিউটিরিয়াল পরীক্ষা নিই যার জন্য ছাত্রছাত্রীকে প্রতিদিন কমবেশি লেখাপড়া করতে হয়। আর ভালো রেজাল্ট করার এটাই অন্যতম কারণ।