ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা বাউফলের রাকিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ৫৮৯ বার পড়া হয়েছে

মো: খলিলুর রহমান.বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা ফলাফল অর্জন করেছেন পটুয়াখালীর বাউফলের নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র মো: রাকিব হোসেন। ২০২২-২০২৩ইং শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রাকিব সার্ভে চতুর্থ ব্যাচের পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের কৃতিত্ব অর্জন করেন। রাকিবের বাবার নাম মো: রুহুল আমিন। রাকিব বাউফল ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউট সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থবারের মতো এবছরও দেশসেরা ফলাফল অর্জন করায় আনন্দ র‌্যালী করেছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের পরিচালক এম কে আর হাসনাইনের নেতৃত্বে র‌্যালিটি দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া পলিটেকনিক ইন্সটিউট থেকে শুরু করে উপজেলা হয়ে পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কলেজের চেয়ারম্যান স্যারে ও আমার ক্লাসের স্যারেরা। প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে চেয়ারম্যান স্যারে গেটে তালা লাগিয়ে দিতেন যার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের ক্লাস করতে হতো। ক্লাসের স্যারেরা প্রতিদিন দুই তিনটা বিষয়ে পরীক্ষা নিত। পরীক্ষার জন্য প্রতি রাতে আমাকে প্রস্তুতি নিতে হতো। এছাড়া আমার বাবা মা রাত জেগে আমার পাশে বসে থেকে আমার লেখা পড়ায় উৎসাহ দিতেন।
এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এম কে আর হাসনাইন বলেন. হাজার বছরের কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পটা শুনে এসেছি, আর সেটাকেই বাস্তবে কাজে লাগিয়েছি। প্রতিদিন সকাল ৮টায় গেট লক করে দিই এবাং ২টায় ওপেন করি। নিয়মিত টিউটিরিয়াল পরীক্ষা নিই যার জন্য ছাত্রছাত্রীকে প্রতিদিন কমবেশি লেখাপড়া করতে হয়। আর ভালো রেজাল্ট করার এটাই অন্যতম কারণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা বাউফলের রাকিব

আপডেট সময় ০৩:১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

মো: খলিলুর রহমান.বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষায় দেশসেরা ফলাফল অর্জন করেছেন পটুয়াখালীর বাউফলের নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের চতুর্থ ব্যাচের ছাত্র মো: রাকিব হোসেন। ২০২২-২০২৩ইং শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রাকিব সার্ভে চতুর্থ ব্যাচের পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের কৃতিত্ব অর্জন করেন। রাকিবের বাবার নাম মো: রুহুল আমিন। রাকিব বাউফল ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও নবারুণ সার্ভে এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউট সার্ভে ডিপার্টমেন্টে চতুর্থবারের মতো এবছরও দেশসেরা ফলাফল অর্জন করায় আনন্দ র‌্যালী করেছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের পরিচালক এম কে আর হাসনাইনের নেতৃত্বে র‌্যালিটি দক্ষিণ চন্দ্রপাড়া পলিটেকনিক ইন্সটিউট থেকে শুরু করে উপজেলা হয়ে পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে নবারুণ সার্ভ এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিউটের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কলেজের চেয়ারম্যান স্যারে ও আমার ক্লাসের স্যারেরা। প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে চেয়ারম্যান স্যারে গেটে তালা লাগিয়ে দিতেন যার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের ক্লাস করতে হতো। ক্লাসের স্যারেরা প্রতিদিন দুই তিনটা বিষয়ে পরীক্ষা নিত। পরীক্ষার জন্য প্রতি রাতে আমাকে প্রস্তুতি নিতে হতো। এছাড়া আমার বাবা মা রাত জেগে আমার পাশে বসে থেকে আমার লেখা পড়ায় উৎসাহ দিতেন।
এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এম কে আর হাসনাইন বলেন. হাজার বছরের কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পটা শুনে এসেছি, আর সেটাকেই বাস্তবে কাজে লাগিয়েছি। প্রতিদিন সকাল ৮টায় গেট লক করে দিই এবাং ২টায় ওপেন করি। নিয়মিত টিউটিরিয়াল পরীক্ষা নিই যার জন্য ছাত্রছাত্রীকে প্রতিদিন কমবেশি লেখাপড়া করতে হয়। আর ভালো রেজাল্ট করার এটাই অন্যতম কারণ।