ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মিরপুর-১০ হতে তালতলা পর্যন্ত সড়ক ও নর্দমা উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান। Logo যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয়: কৃষি মন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সংহতিপত্র হস্তান্তর ও কাতারের নেতৃস্থানীয়দের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বৈঠক Logo প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরবিইউ মডেল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু করেছে বিপিসিএল Logo দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর: মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন Logo নির্বাহী প্রকৌশলীদের সশরীরে উপস্থিত হয়ে চলমান সব কাজ যাচাই করার নির্দেশ ডিএনসিসি প্রশাসকের Logo রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রশাসন ও  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছবি-নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি তৈরি করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত এক প্রতারক গ্রেফতার Logo সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত: বাংলাদেশীদের জন্য হজ ও উমরাহ সেবায় নতুন গতি Logo জ্বালানী তেল মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে লালমনিরহাট সীমান্তে কার্যক্রম জোরদার করেছে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)

চিকিৎসক সংকট নিরসনে চলমান তিনটি বিসিএসের পাশাপাশি বিশেষ বিসিএসে নিয়োগের উদ্যোগ চলমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ৫৮০ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেছেন, গতকাল হাইকোর্ট প্রিফিক্স হিসেবে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করার বিষয়ে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত চলমান রিটের রায় প্রদান করেছেন, যা এ সম্পর্কিত সকল ধরনের বিভ্রান্তি, দ্বিধা ও অস্বস্তি দূর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ৪৫, ৪৬ এবং ৪৭ বিসিএসে যথাক্রমে ৪৫০, ১৬৮২, ১৩৩১ জন চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ চলমান আছে। তিনটি বিসিএস চলমান থাকা সত্ত্বেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকের ঘাটতি প্রকট আকার ধারন করায় একটি বিশেষ বিসিএস এর মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে ২০০০ জন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ০৯/০৩/২০২৫ তারিখে জনপ্রশাসন বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। আজ ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান আরো বলেন, সকল ক্যাডারের জন্যে বয়সসীমা ৩২ করা হলে আনুপাতিক হারে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ক্ষেত্রে তা ৩৪ হওয়ার কথা হলেও সেটি এবার বৃদ্ধি করা হয় নি। আমরা ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে অনুরোধ জানালেও সেটি গৃহীত হয় নি। তদুপরি গত ০৫/০৩/২০২৫ তারিখে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনটি সকল পক্ষের সাথে আলোচনার পর চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সেটিতে সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্তি, বর্জন বা পরিমার্জনের জন্যে কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্যে অপেক্ষা করা হচ্ছে, যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকসহ অন্যান্য সেবাদানকারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বৈষম্যেরও অবসান করার চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকারদের মধ্য থেকে দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হয়েছে। পদোন্নতিযোগ্য বিশেষজ্ঞদের পদোন্নতিদানের জন্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপারনিউমারি পদ সৃষ্টির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের জন্যে নেয়া উদ্যোগসমূহের পাশাপাশি আমরা নার্সসহ অন্যান্য সকল সহায়ক জনশক্তির নিয়োগের প্রক্রিয়াকেও গতিশীল করেছি যেন সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে সকল শূন্যপদ পূরণ করা যায়। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে ধৈর্যধারণ করার জন্য অনুরোধ করছি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্যে মানসম্মত স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা এই দেশটির কল্যাণমুখী রূপান্তরের জন্যে স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের চেষ্টা করছি এবং সে লক্ষ্যে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর-১০ হতে তালতলা পর্যন্ত সড়ক ও নর্দমা উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।

চিকিৎসক সংকট নিরসনে চলমান তিনটি বিসিএসের পাশাপাশি বিশেষ বিসিএসে নিয়োগের উদ্যোগ চলমান

আপডেট সময় ০৫:১৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেছেন, গতকাল হাইকোর্ট প্রিফিক্স হিসেবে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করার বিষয়ে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত চলমান রিটের রায় প্রদান করেছেন, যা এ সম্পর্কিত সকল ধরনের বিভ্রান্তি, দ্বিধা ও অস্বস্তি দূর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ৪৫, ৪৬ এবং ৪৭ বিসিএসে যথাক্রমে ৪৫০, ১৬৮২, ১৩৩১ জন চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ চলমান আছে। তিনটি বিসিএস চলমান থাকা সত্ত্বেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকের ঘাটতি প্রকট আকার ধারন করায় একটি বিশেষ বিসিএস এর মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে ২০০০ জন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ০৯/০৩/২০২৫ তারিখে জনপ্রশাসন বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। আজ ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান আরো বলেন, সকল ক্যাডারের জন্যে বয়সসীমা ৩২ করা হলে আনুপাতিক হারে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ক্ষেত্রে তা ৩৪ হওয়ার কথা হলেও সেটি এবার বৃদ্ধি করা হয় নি। আমরা ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে অনুরোধ জানালেও সেটি গৃহীত হয় নি। তদুপরি গত ০৫/০৩/২০২৫ তারিখে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনটি সকল পক্ষের সাথে আলোচনার পর চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সেটিতে সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্তি, বর্জন বা পরিমার্জনের জন্যে কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্যে অপেক্ষা করা হচ্ছে, যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকসহ অন্যান্য সেবাদানকারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বৈষম্যেরও অবসান করার চেষ্টা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকারদের মধ্য থেকে দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হয়েছে। পদোন্নতিযোগ্য বিশেষজ্ঞদের পদোন্নতিদানের জন্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপারনিউমারি পদ সৃষ্টির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের জন্যে নেয়া উদ্যোগসমূহের পাশাপাশি আমরা নার্সসহ অন্যান্য সকল সহায়ক জনশক্তির নিয়োগের প্রক্রিয়াকেও গতিশীল করেছি যেন সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে সকল শূন্যপদ পূরণ করা যায়। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে ধৈর্যধারণ করার জন্য অনুরোধ করছি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্যে মানসম্মত স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা এই দেশটির কল্যাণমুখী রূপান্তরের জন্যে স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের চেষ্টা করছি এবং সে লক্ষ্যে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।