
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথে ডিসেম্বরকে মাথায় রেখে অগ্রাধিকারমূলক সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন নির্বাচন কমিশন। তারই অংশ হিসেবে সীমানা পুননির্ধারণ, দল নিবন্ধন, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন প্রস্তুতি, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোট কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত বিষয়ে কমিটির সভা বৃহস্পতিবার। জুনের মধ্যে কাজ গুছিয়ে রাখার কথা জানালেন ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। ইতোমধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের ধাপে ধাপে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরছেও নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। নিবন্ধিত দলসহ অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ না করলেও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে। চলমান সংস্কার উদ্যোগের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত সময় ধরে এ প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে তফসিল ঘোষণার আগের কাজগুলো ধরে ধরে গুছিয়ে রাখা হচ্ছে। জুনে ভোটার তালিকার হালনাগাদ হওয়ার পাশাপাশি নতুন দল নিবন্ধন, সীমাানা নির্ধারণ, নীতিমালা-বিধিমালা প্রস্তুতসহ অগ্রাধিকারমূলক কাজগুলোর পরিকল্পনা মাফিক চলছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি সেটা করার জন্য আমরা একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। যা দেখবেন তা পরিকল্পনারই অংশ, মূল কাজটা ইলেকশন ওরিয়েন্টেড।” গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই উদ্যোগের মধ্যেই বিএনপি দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে। নির্বাচন আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। রাজনৈতিক দলগুলো অল্প সংস্কারের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে একমত হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। আর সংস্কার কার্যক্রম প্রসারিত হলে নির্বাচন আরও ছয় মাস পরে হতে পারে বলেও ধারণা দিয়েছেন তিনি।