
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনরা অংশ নেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও অংশ নেন।
ইফতারের পর অনুষ্ঠানস্থলে অস্থায়ী শেডে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন অতিথিরা। মাগরিবের জামাতে ইমামতি করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।
সেখানে ধারণ করা ছবিতে দেখা যায় প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ইমামের পিছনে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করছেন।
তার নামাজ পড়ানোর ছবি প্রকাশ হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন জেনারেল ওয়াকার। কেউ কেউ আবার তির্যক মন্তব্যও করেছেন। নেটিজেনদের এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন জেনারেল ওয়াকারের বন্ধু, সহকর্মী সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ মো. শহিদুল ইসলাম।
নিজের ফেসবুক পেজে তিনি লিখেন, ‘ওয়াকার যৌবনের ধারালো সময়েও ইমামতি করতেন।’
স্ট্যাটাসে তিনি মিলিটারি একাডেমিতে একসঙ্গে কোর্স করার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। এতে তিনি লিখেন, ‘আমার বন্ধু জেনারেল ওয়াকারের ইমামতি প্রসঙ্গে: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার নামাজে ইমামতি করছেন এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেনাপ্রধান ইমামতি করেন? উনি কি সেনাপ্রধান হওয়ার পর এটা শুরু করেছেন? প্রশ্ন অনেকের। আবার অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও তির্যক মন্তব্য করছেন অনেকে! জেনারেল ওয়াকার বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে আমার কোর্সমেটই শুধু ছিলেন না, তিনি আমার রুমমেটও ছিলেন।’