ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক Logo ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক Logo ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম হলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার Logo হাতিরঝিলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান: বিদেশি রিভলবার, গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার। Logo গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭ জন Logo ২০২৬ সালে হজযাত্রীরা তিন কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন – প্রেস ব্রিফিংয়ে ধর্ম উপদেষ্টা Logo সহিংসতা প্রতিরোধ, নতুন আইন ও ভাতা বৃদ্ধি: ১৬ মাসের হিসাব দিলেন শারমীন এস মুরশিদ Logo দিনের ভোট দিনে ঝুঁকি নয়, খুঁজুন আস্থার পথ Logo সংসদ সদস্য প্রার্থীদের কাছে সাতক্ষীরা উন্নয়ন দাবি Logo কেরানীগঞ্জে নিমতলায় ট্রেনে কাটা পড়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: এক ব্যক্তি নিহত

সুনামগঞ্জে মরিচ ক্ষেতে মিলল সক্রিয় গ্রেনেড, সেনাবাহিনীর নিপুণ অভিযানে নিষ্ক্রিয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৫৬০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ কাইয়ুম বাদশাহ: মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের চালবন্দ পয়েন্ট এলাকার একটি মরিচ ক্ষেত থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের সক্রিয় একটি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে জমির মালিক কৃষক সাব্বির আহমদ তাঁর মরিচক্ষেতে কাজ করার সময় হঠাৎ একটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি তিনি স্থানীয় লোকজনকে জানান। পরে এলাকাবাসী সেটি দেখে নিশ্চিত হন এটি গ্রেনেডের মতো কিছু এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেন।

খবর পেয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে শান্তিগঞ্জ সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে বিষয়টি জানায়। শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গ্রেনেডটি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় এটি একটি সক্রিয় K36 অথবা M36 মডেলের গ্রেনেড।

পরে তারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে গিয়ে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে। সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুখলেছুর রহমান বলেন,

“স্থানীয় কৃষক সাব্বির আহমদের মরিচক্ষেতে একটি গ্রেনেড পাওয়া গেছে মর্মে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হই এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ সেনাবাহিনীকে জানাই। পরে শান্তিগঞ্জ সেনা ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে।”

শান্তিগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কর্নেল আল হোসাইন বলেন, “উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি K36 অথবা M36 মডেলের সক্রিয় গ্রেনেড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই মডেলের গ্রেনেড ব্যবহৃত হতো। এটি হয়তো মাটির নিচে চাপা ছিল, অথবা অন্য কোথাও থেকে কেউ এখানে এনেছে। পুলিশ আমাদের জানালে আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সফলভাবে এটি নিষ্ক্রিয় করি।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও সেনাবাহিনীর দ্রুত ও সুপরিকল্পিত অভিযানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

সুনামগঞ্জে মরিচ ক্ষেতে মিলল সক্রিয় গ্রেনেড, সেনাবাহিনীর নিপুণ অভিযানে নিষ্ক্রিয়

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

মোঃ কাইয়ুম বাদশাহ: মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের চালবন্দ পয়েন্ট এলাকার একটি মরিচ ক্ষেত থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ের সক্রিয় একটি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে জমির মালিক কৃষক সাব্বির আহমদ তাঁর মরিচক্ষেতে কাজ করার সময় হঠাৎ একটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি তিনি স্থানীয় লোকজনকে জানান। পরে এলাকাবাসী সেটি দেখে নিশ্চিত হন এটি গ্রেনেডের মতো কিছু এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেন।

খবর পেয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে শান্তিগঞ্জ সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে বিষয়টি জানায়। শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গ্রেনেডটি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় এটি একটি সক্রিয় K36 অথবা M36 মডেলের গ্রেনেড।

পরে তারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে গিয়ে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে। সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুখলেছুর রহমান বলেন,

“স্থানীয় কৃষক সাব্বির আহমদের মরিচক্ষেতে একটি গ্রেনেড পাওয়া গেছে মর্মে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হই এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ সেনাবাহিনীকে জানাই। পরে শান্তিগঞ্জ সেনা ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে।”

শান্তিগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কর্নেল আল হোসাইন বলেন, “উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি K36 অথবা M36 মডেলের সক্রিয় গ্রেনেড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই মডেলের গ্রেনেড ব্যবহৃত হতো। এটি হয়তো মাটির নিচে চাপা ছিল, অথবা অন্য কোথাও থেকে কেউ এখানে এনেছে। পুলিশ আমাদের জানালে আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় সফলভাবে এটি নিষ্ক্রিয় করি।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও সেনাবাহিনীর দ্রুত ও সুপরিকল্পিত অভিযানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে স্থানীয়রা।