ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর অভিযানে বান্দরবান জেলার টংগবতি ইউনিয়ন থেকে অবৈধ অস্ত্র সহ ০৯ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রেফতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্ক: ঢাকা, ২০ জুন ২০২৫ আজ সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্প হতে পরিচালিত ২টি অভিযানে টংগবতি ইউনিয়নের পুনর্বাসন চাকমা পাড়া এবং ইমানুয়েল ত্রিপুরা পাড়া থেকে ০৯ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরী ০৪টি গাদা বন্দুক, ০১টি সেমি-অটো রাইফেল, ২টি গান ব্যারেল, দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও চাঁদা আদায়ে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে অন্যতম আনন্দ মোহন চাকমা (৭২), যে উক্ত এলাকার মূল চাঁদা আদায়কারী হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা পাওয়া যায়, আটককৃত চাঁদাবাজ দলটি পার্বত্য চট্রগ্রামের একটি সশস্ত্র দলের পক্ষে সাধারণ জনগণের নিকট হতে চাঁদা আদায় করে থাকে। গ্রেফতারকৃতদের বান্দরবান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর এইরূপ তৎপরতা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

Kasyno Online ᐅ Najlepsze kasyno online GGBet w polsce

সেনাবাহিনীর অভিযানে বান্দরবান জেলার টংগবতি ইউনিয়ন থেকে অবৈধ অস্ত্র সহ ০৯ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
নিউজ ডেস্ক: ঢাকা, ২০ জুন ২০২৫ আজ সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্প হতে পরিচালিত ২টি অভিযানে টংগবতি ইউনিয়নের পুনর্বাসন চাকমা পাড়া এবং ইমানুয়েল ত্রিপুরা পাড়া থেকে ০৯ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরী ০৪টি গাদা বন্দুক, ০১টি সেমি-অটো রাইফেল, ২টি গান ব্যারেল, দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও চাঁদা আদায়ে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে অন্যতম আনন্দ মোহন চাকমা (৭২), যে উক্ত এলাকার মূল চাঁদা আদায়কারী হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা পাওয়া যায়, আটককৃত চাঁদাবাজ দলটি পার্বত্য চট্রগ্রামের একটি সশস্ত্র দলের পক্ষে সাধারণ জনগণের নিকট হতে চাঁদা আদায় করে থাকে। গ্রেফতারকৃতদের বান্দরবান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর এইরূপ তৎপরতা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।