ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন। Logo সংঘের সঙ্গী সৎ হইলে স্বর্গে বাস, অসৎ হইলে সর্বনাশ Logo বাউফলে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মিভূত Logo শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগেই দেয়ালের জঙ্গিবাদী গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘোষণা এম বি কানিজের Logo আইএসডিই এর উদ্যোগে কিং সালমান মানবিক সহায়তায় ৬০ হাজার পরিবারে খাবার প্যাকেট বিতরণ হবে Logo লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছে ১৬৫ বাংলাদেশি নাগরিক Logo মতিঝিল স্টেশনে নতুন নিয়ম মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে Logo তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সঠিক, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের  বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ Logo নিরাপদ ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর পদক্ষেপ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি এবং ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট দেশের ইতিহাসের মাইলফলক হবে।

যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি – ধর্ম উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন,  যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। আমরা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ঘরে ফেরার জন্য প্রস্তুত।

আজ বিকালে রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্র যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার ও ধর্ম সচিব মোঃ কামাল উদ্দিন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

ধর্ম উপদেষ্ট বলেন, একবার ক্ষমতায় বসতে পারলে ছলেবলে কৌশলে চেয়ার ধরে রাখার দুঃখজনক প্রবণতা এদেশে রয়েছে। কিন্তু আমরা যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইতোমধ্যে আমাদের অনেক উপদেষ্টা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট স্যারেন্ডার করেছেন। আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি- একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবেন তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করব।

ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক মাইলফলক।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ যদি পাশ হয় তাহলে দেশে আর কোনোদিন স্বৈরতন্ত্রের জন্ম হবে না। ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে। দেশকে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারব। তিনি সকলকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার অনুরোধ জানান।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি যখন ভোট দিতে যাবেন তখন আপনাকে দুটো ব্যালোট দেওয়া হবে। একটি সাদা, আরেকটি গোলাপি। সাদা ব্যালোটের মাধ্যমে আপনার বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন। আর গোলাপি ব্যালোটের মাধ্যমে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কিভাবে দেশ পরিচালনা করবে সেই গাইডলাইন আপনি তৈরি করে দিবেন।তিনি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদীমুক্ত দেশ গড়তে সকলকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন।

জুলাই সনদের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৫৪ বছরে আমরা এই তিনটি লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। বিগত ৫৪ বছরের শাসনামলে আমরা এমন এমন শাসনের কবলে আমরা পড়েছিলাম যেটা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ছিলো না। কখনও সংবিধানকে সুটকেসবন্দী  করে আবার কখনও সংবিধানের দোহাই দিয়ে আমাদের ওপর নিপীড়নমূলক শাসন চালানো হয়েছে। একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এতে অন্যান্যের মধ্যে রমনার সেন্ট মেরীস্ ক্যাথেড্রাল চার্চের প্রধান পালক ফাদার আলবার্ট টমাস রোজারিও, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া,  খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পিউস কস্তা বক্তৃতা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি এবং ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট দেশের ইতিহাসের মাইলফলক হবে।

যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি – ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন,  যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। আমরা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ঘরে ফেরার জন্য প্রস্তুত।

আজ বিকালে রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্র যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার ও ধর্ম সচিব মোঃ কামাল উদ্দিন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

ধর্ম উপদেষ্ট বলেন, একবার ক্ষমতায় বসতে পারলে ছলেবলে কৌশলে চেয়ার ধরে রাখার দুঃখজনক প্রবণতা এদেশে রয়েছে। কিন্তু আমরা যেদিন দায়িত্ব নিয়েছি সেদিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ইতোমধ্যে আমাদের অনেক উপদেষ্টা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট স্যারেন্ডার করেছেন। আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি- একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবেন তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করব।

ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক মাইলফলক।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ যদি পাশ হয় তাহলে দেশে আর কোনোদিন স্বৈরতন্ত্রের জন্ম হবে না। ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে। দেশকে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারব। তিনি সকলকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার অনুরোধ জানান।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি যখন ভোট দিতে যাবেন তখন আপনাকে দুটো ব্যালোট দেওয়া হবে। একটি সাদা, আরেকটি গোলাপি। সাদা ব্যালোটের মাধ্যমে আপনার বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন। আর গোলাপি ব্যালোটের মাধ্যমে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা কিভাবে দেশ পরিচালনা করবে সেই গাইডলাইন আপনি তৈরি করে দিবেন।তিনি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদীমুক্ত দেশ গড়তে সকলকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন।

জুলাই সনদের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৫৪ বছরে আমরা এই তিনটি লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। বিগত ৫৪ বছরের শাসনামলে আমরা এমন এমন শাসনের কবলে আমরা পড়েছিলাম যেটা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ছিলো না। কখনও সংবিধানকে সুটকেসবন্দী  করে আবার কখনও সংবিধানের দোহাই দিয়ে আমাদের ওপর নিপীড়নমূলক শাসন চালানো হয়েছে। একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এতে অন্যান্যের মধ্যে রমনার সেন্ট মেরীস্ ক্যাথেড্রাল চার্চের প্রধান পালক ফাদার আলবার্ট টমাস রোজারিও, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া,  খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পিউস কস্তা বক্তৃতা করেন।