ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মচারীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় কিছু সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন, যা নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ জানুয়ারি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করে কমিশন প্রশাসনকে এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে এবং প্রতিটি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানা হবে।

নির্বাচনকালীন ভোটের ছুটিতে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক বলেন, আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিল। এখন নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের ফলে আর কোনো সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবে না। প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

সরকারি কর্মচারীদের এই নির্দেশনা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভোটের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনের ওপর জোর দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মচারীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় কিছু সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন, যা নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ জানুয়ারি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করে কমিশন প্রশাসনকে এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে এবং প্রতিটি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানা হবে।

নির্বাচনকালীন ভোটের ছুটিতে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক বলেন, আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিল। এখন নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের ফলে আর কোনো সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবে না। প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

সরকারি কর্মচারীদের এই নির্দেশনা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভোটের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনের ওপর জোর দিচ্ছে।