ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন। Logo সংঘের সঙ্গী সৎ হইলে স্বর্গে বাস, অসৎ হইলে সর্বনাশ Logo বাউফলে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মিভূত Logo শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগেই দেয়ালের জঙ্গিবাদী গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘোষণা এম বি কানিজের Logo আইএসডিই এর উদ্যোগে কিং সালমান মানবিক সহায়তায় ৬০ হাজার পরিবারে খাবার প্যাকেট বিতরণ হবে Logo লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছে ১৬৫ বাংলাদেশি নাগরিক Logo মতিঝিল স্টেশনে নতুন নিয়ম মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে Logo তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সঠিক, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের  বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ Logo নিরাপদ ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর পদক্ষেপ
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মচারীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় কিছু সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন, যা নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ জানুয়ারি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করে কমিশন প্রশাসনকে এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে এবং প্রতিটি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানা হবে।

নির্বাচনকালীন ভোটের ছুটিতে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক বলেন, আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিল। এখন নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের ফলে আর কোনো সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবে না। প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

সরকারি কর্মচারীদের এই নির্দেশনা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভোটের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনের ওপর জোর দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মচারীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারণায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্বাচনী দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় কিছু সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন, যা নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ জানুয়ারি) বিশেষ নির্দেশনা জারি করে কমিশন প্রশাসনকে এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে এবং প্রতিটি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানা হবে।

নির্বাচনকালীন ভোটের ছুটিতে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক বলেন, আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিল। এখন নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের ফলে আর কোনো সরকারি কর্মকর্তা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবে না। প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

সরকারি কর্মচারীদের এই নির্দেশনা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভোটের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনের ওপর জোর দিচ্ছে।