ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসাম্প্রদায়িক চেতনায় নতুন বছর সাজানোর আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর Logo দুর্ঘটনায় আহত ইউএইচএফপিও ডা. শংকরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল সরকার Logo বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’-এর উদ্বোধন Logo মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েন Logo বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানী ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। Logo ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলে ডিএসসিসির বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ: পরিচ্ছন্ন ও তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার Logo শিশু বিকাশে জেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশু একাডেমি সম্প্রসারণের কৃতিত্ব জিয়াউর রহমানের: মন্ত্রী জাহিদ হোসেন Logo ঐক্য চাই বিভেদ চাই না, ঐক্যের মাধ্যমেই বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাড়াতে চাই’-মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী। Logo বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চতে ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন Logo বনভূমি উদ্ধার ও বৃক্ষরোপণ জোরদারে পরিবেশ মন্ত্রীর নির্দেশনা
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করবেন সিইসি।

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানালেন ইসি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৬ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বর্তমান সাংবিধানিক বাস্তবতায় নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী সিইসিই শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত আগের সংসদের স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। অপরদিকে, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি।

সংবিধানের ৭৪(৬) অনুচ্ছেদে বলা আছে, নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় বিকল্প সাংবিধানিক বিধান কার্যকর হচ্ছে।

সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিধান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় প্রযোজ্য হচ্ছে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ। এতে বলা হয়েছে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের তপশিল-৩ অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্বে না থাকলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের শপথ পড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে। এই বিধান অনুযায়ীই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

জনপ্রিয় সংবাদ

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় নতুন বছর সাজানোর আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করবেন সিইসি।

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন জানালেন ইসি

আপডেট সময় ০৫:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বর্তমান সাংবিধানিক বাস্তবতায় নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসি সদস্য আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী সিইসিই শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত আগের সংসদের স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। অপরদিকে, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি।

সংবিধানের ৭৪(৬) অনুচ্ছেদে বলা আছে, নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব না হওয়ায় বিকল্প সাংবিধানিক বিধান কার্যকর হচ্ছে।

সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিধান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় প্রযোজ্য হচ্ছে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ। এতে বলা হয়েছে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের তপশিল-৩ অনুযায়ী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই দায়িত্বে না থাকলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের শপথ পড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে। এই বিধান অনুযায়ীই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।