ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি Logo কুমিল্লায় ১৪৫৮ কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করলেন কৃষি মন্ত্রী Logo বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এর  জানাযা সম্পন্ন Logo বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনো বৈষম্য নেই: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ  Logo হজযাত্রীদের সেবায় গাফিলতি নয়—হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন Logo বাউফলে ছাত্রদল নেতা সৈকতের মৃত্যুতে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির শোক Logo মুজিবনগর দিবস উদযাপনে নেই সরকারি কোন আয়োজন Logo বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo মোহাম্মদপুরে হত্যাচেষ্টা মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২, আরও আসামি ধরতে অভিযান চলছে Logo হজ ফ্লাইটের আগে হজক্যাম্পে আকস্মিক পরিদর্শনে ধর্মমন্ত্রী, সেবার মান নিশ্চিতের নির্দেশ
দ্বীপাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্ভাব্য সেতু/টানেল প্রকল্পের কারিগরি ও পরিবেশগত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণে জেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় ও প্রস্তাবিত এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ডের সাথে মহেশখালী দ্বীপের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু বা টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে আজ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আঃ মান্নান এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি সহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং  অংশীজন গুরুত্বপূর্ণ  মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রাথমিক এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করেন। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ এর প্রেরিত ডিও লেটার এর প্রেক্ষিতে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম,এমপি এর নির্দেশনায় সেতু সচিব এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন।

সচিব সেতু বিভাগ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আমাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন।

সভায় সেতু সচিব বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কক্সবাজার অঞ্চলকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক হাবে রূপান্তরের কাজ চলছে। মহেশখালীতে চলমান গভীর সমুদ্র বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ মেগা প্রকল্পগুলোর পূর্ণ সুফল পেতে মূল ভূখণ্ডের সাথে একটি আধুনিক ও টেকসই সংযোগ স্থাপন করা সময়ের দাবি।তিনি উল্লেখ করেন যে, মহেশখালীর গভীর সমুদ্র বন্দর এবং বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই সংযোগ স্থাপন অপরিহার্য। সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা এবং জমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূমি অধিগ্রহণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়। সচিব মহোদয় এসব প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে সচিব সেতু বিভাগ প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রাথমিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী ভৌগোলিক উপযোগিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। তিনি প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে পরিচালিত প্রাক-প্রাথমিক সম্ভাব্য সমীক্ষা ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সম্ভাব্য এলাইনমেন্টটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি এলাইনমেন্টের ভৌগোলিক অবস্থান, কারিগরি চ্যালেঞ্জ এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনাগুলো যাচাই করেন। তিনি জানান, সমীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পরিবেশ ও প্রকৃতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে সবচেয়ে ব্যয়সাশ্রয়ী এবং কার্যকর মাধ্যমটি (সেতু বা টানেল) চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সচিব মহোদয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, প্রকল্পের নকশা ও এলাইনমেন্ট এমনভাবে চূড়ান্ত করতে হবে যেন তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং স্থানীয় জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধাজনক হয়। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের অংশ হিসেবে এই সংযোগ প্রকল্পটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেবে।

সচিব সেতু বিভাগ আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মহেশখালীর বাসিন্দাদের মূল ভূখণ্ডের সাথে যাতায়াতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং এই অঞ্চলের পর্যটন ও শিল্প খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তিনি প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সমীক্ষা পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি

দ্বীপাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্ভাব্য সেতু/টানেল প্রকল্পের কারিগরি ও পরিবেশগত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণে জেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় ও প্রস্তাবিত এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব

আপডেট সময় ০১:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আলী আহসান রবি : কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ডের সাথে মহেশখালী দ্বীপের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু বা টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে আজ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আঃ মান্নান এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি সহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং  অংশীজন গুরুত্বপূর্ণ  মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রাথমিক এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করেন। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ এর প্রেরিত ডিও লেটার এর প্রেক্ষিতে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম,এমপি এর নির্দেশনায় সেতু সচিব এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন।

সচিব সেতু বিভাগ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আমাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন।

সভায় সেতু সচিব বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কক্সবাজার অঞ্চলকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক হাবে রূপান্তরের কাজ চলছে। মহেশখালীতে চলমান গভীর সমুদ্র বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ মেগা প্রকল্পগুলোর পূর্ণ সুফল পেতে মূল ভূখণ্ডের সাথে একটি আধুনিক ও টেকসই সংযোগ স্থাপন করা সময়ের দাবি।তিনি উল্লেখ করেন যে, মহেশখালীর গভীর সমুদ্র বন্দর এবং বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই সংযোগ স্থাপন অপরিহার্য। সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা এবং জমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূমি অধিগ্রহণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়। সচিব মহোদয় এসব প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে সচিব সেতু বিভাগ প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রাথমিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী ভৌগোলিক উপযোগিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। তিনি প্রস্তাবিত কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু/টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে পরিচালিত প্রাক-প্রাথমিক সম্ভাব্য সমীক্ষা ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সম্ভাব্য এলাইনমেন্টটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি এলাইনমেন্টের ভৌগোলিক অবস্থান, কারিগরি চ্যালেঞ্জ এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনাগুলো যাচাই করেন। তিনি জানান, সমীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পরিবেশ ও প্রকৃতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে সবচেয়ে ব্যয়সাশ্রয়ী এবং কার্যকর মাধ্যমটি (সেতু বা টানেল) চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সচিব মহোদয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, প্রকল্পের নকশা ও এলাইনমেন্ট এমনভাবে চূড়ান্ত করতে হবে যেন তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং স্থানীয় জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধাজনক হয়। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের অংশ হিসেবে এই সংযোগ প্রকল্পটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেবে।

সচিব সেতু বিভাগ আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মহেশখালীর বাসিন্দাদের মূল ভূখণ্ডের সাথে যাতায়াতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং এই অঞ্চলের পর্যটন ও শিল্প খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তিনি প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সমীক্ষা পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।