ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সিলেট জেলা পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ জন হারানো মোবাইল পেলেন ফিরে Logo বান্দরবানে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা Logo দক্ষিণ ত্রিপুরা পুলিশের ড্রোন নজরদারিতে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা Logo লক্ষ্মীপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ব্যাডমিন্টন গ্রাউন্ডের শুভ উদ্বোধন Logo রাণীনগর হানাদারমুক্ত দিবস আজ Logo বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্বমঞ্চে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার Logo গৃহকর্মী নিয়োগের পূর্বে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অনুরোধ ডিএমপি কমিশনারের Logo উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭ জন গ্রেফতার Logo জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ Logo প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি প্রকৌশলীদের পরিবেশগত দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করতে হবে — পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

জরুরি জলবায়ু পদক্ষেপ ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর মধ্যে বৈঠক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • ৬০০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি: ঢাকা, ১০ এপ্রিল ২০২৫: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার পান্থপথস্থ পানি ভবনে জাতিসংঘের বাংলাদেশ আবাসিক সমন্বয়কারী গুইন লুইসের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দ্রুত ও কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ, নদী পুনরুদ্ধার, এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সব পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ দরকার, তবে এখন বাস্তব পদক্ষেপ সময়। অন্তত দুই-তিনটি প্রকল্প দিয়েই শুরু হোক। তিনি একটি নির্দিষ্ট দিনে সকল উন্নয়ন সহযোগীদের একত্রিত করার প্রস্তাব দেন। এতে করে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সহজ হবে এবং পানি ব্যবস্থাপনায় গতি আসবে। আলোচনায় ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান, হালনাগাদ এনডিসি এবং এডিবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইডেনের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষই সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের যৌথ অর্থায়নে মডেল প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। রিজওয়ানা হাসান সাম্প্রতিক সাফল্যের মধ্যে বিভাগভিত্তিক নদী পুনরুদ্ধার, খাল সংস্কার এবং ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে গণশুনানি বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। গুইন লুইস বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “জাতীয় নীতির সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য মিলিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।” তারা প্রায় এক দশক ধরে বন্ধ থাকা এনভায়রনমেন্ট কমিউনিটি অব প্র্যাকটিস সক্রিয় করার ওপর জোর দেন। কার্যকর আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতার জন্য কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, জাতিসংঘ অফিসের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ হর্ষদ গাইকোয়াড় এবং জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জলবায়ু ভাবনাকে বাস্তব কর্মে রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মাধ্যমে বৈঠকটি মাধ্যমে শেষ হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট জেলা পুলিশের তৎপরতায় ৬৭ জন হারানো মোবাইল পেলেন ফিরে

জরুরি জলবায়ু পদক্ষেপ ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর মধ্যে বৈঠক

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

আলী আহসান রবি: ঢাকা, ১০ এপ্রিল ২০২৫: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার পান্থপথস্থ পানি ভবনে জাতিসংঘের বাংলাদেশ আবাসিক সমন্বয়কারী গুইন লুইসের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দ্রুত ও কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ, নদী পুনরুদ্ধার, এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সব পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ দরকার, তবে এখন বাস্তব পদক্ষেপ সময়। অন্তত দুই-তিনটি প্রকল্প দিয়েই শুরু হোক। তিনি একটি নির্দিষ্ট দিনে সকল উন্নয়ন সহযোগীদের একত্রিত করার প্রস্তাব দেন। এতে করে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সহজ হবে এবং পানি ব্যবস্থাপনায় গতি আসবে। আলোচনায় ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান, হালনাগাদ এনডিসি এবং এডিবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইডেনের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষই সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের যৌথ অর্থায়নে মডেল প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। রিজওয়ানা হাসান সাম্প্রতিক সাফল্যের মধ্যে বিভাগভিত্তিক নদী পুনরুদ্ধার, খাল সংস্কার এবং ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে গণশুনানি বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। গুইন লুইস বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “জাতীয় নীতির সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য মিলিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।” তারা প্রায় এক দশক ধরে বন্ধ থাকা এনভায়রনমেন্ট কমিউনিটি অব প্র্যাকটিস সক্রিয় করার ওপর জোর দেন। কার্যকর আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতার জন্য কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, জাতিসংঘ অফিসের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ হর্ষদ গাইকোয়াড় এবং জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জলবায়ু ভাবনাকে বাস্তব কর্মে রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মাধ্যমে বৈঠকটি মাধ্যমে শেষ হয়।