ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক Logo যথাযোগ্য মর্যাদায় রবীন্দ্র ও নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ Logo জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে গ্রন্থাগারিকরা হলেন সমাজের ‘মিশনারি – সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী Logo ব্রাসেলস আলোচনা বাংলাদেশ-ইইউ এবং বাংলাদেশ-বেলজিয়াম ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে Logo হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন: আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবের পথে নতুন অগ্রযাত্রা Logo টোলারবাগ খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক Logo রাজনীতি নয়, মানুষের সেবাদান করাই আমাদের উদ্দেশ্য – তথ্যমন্ত্রী Logo অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব প্রলোভনে পড়ে খোয়ালেন অর্ধকোটি টাকা,  চক্রের ০৪ সদস্য  সিআইডির হাতে গ্রেফতার Logo সংকট এড়াতে ৬ মাসের প্রয়োজনীয় সবধরনের টিকা মজুত থাকবে…..স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে রেকর্ড উপস্থিতিকে নির্বাচনের প্রস্তুতির স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে দেখছেন তিনি

নির্বাচন নিয়ে সব সন্দেহ দূর করে দিয়েছে পূর্বাচলের জনসমাগম – প্রেস সচিব শফিকুল আলম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৮ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে পূর্বাচলে যে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটেছে, তাতে নির্বাচন নিয়ে সব সন্দেহ দূর হয়ে গেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ অভিমত জানান তিনি।

সেখানে প্রেস সচিব লেখেন, সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট এখন আর মাত্র সাত সপ্তাহ দূরে- ৪৯ দিন। নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে আমার কখনোই সংশয় ছিল না; যদিও কিছু সময়ে আমাকে নিজের উচ্ছ্বাস সংযত করতে হয়েছে। তবে, গতকালের ঘটনাবলি সমালোচকদের মনে থাকা শেষ সন্দেহটুকুও দূর করে দিয়েছে- ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে কি না, সে প্রশ্ন আর নেই।

‘তারেক রহমানের পরিকল্পনার ওপর নজর রাখবে জামায়াত’
তিনি লেখেন, মৌসুমের সবচেয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। এটি ছিল নির্বাচনের জন্য দেশের প্রস্তুতির স্পষ্ট প্রমাণ।

শফিকুল আলম লেখেন, এক-দুদিনের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে। এরপর হাজার হাজার প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাবেন। ছাপাখানাগুলো পুরোদমে চালু হবে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শুরু হবে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিতর্ক, যার প্রতিধ্বনি পৌঁছে যাবে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত।

স্ট্যাটাসের শেষে তিনি লিখেন, বাংলাদেশ গভীর ক্ষত বহন করছে। একটি ক্রমেই প্রশস্ত হয়ে চলা বিভাজন, যা নিরাময় করতে পারে একমাত্র একটি সত্যিকার অর্থে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক

তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে রেকর্ড উপস্থিতিকে নির্বাচনের প্রস্তুতির স্পষ্ট প্রমাণ হিসেবে দেখছেন তিনি

নির্বাচন নিয়ে সব সন্দেহ দূর করে দিয়েছে পূর্বাচলের জনসমাগম – প্রেস সচিব শফিকুল আলম

আপডেট সময় ০২:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

আলী আহসান রবি : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে পূর্বাচলে যে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটেছে, তাতে নির্বাচন নিয়ে সব সন্দেহ দূর হয়ে গেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ অভিমত জানান তিনি।

সেখানে প্রেস সচিব লেখেন, সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট এখন আর মাত্র সাত সপ্তাহ দূরে- ৪৯ দিন। নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে আমার কখনোই সংশয় ছিল না; যদিও কিছু সময়ে আমাকে নিজের উচ্ছ্বাস সংযত করতে হয়েছে। তবে, গতকালের ঘটনাবলি সমালোচকদের মনে থাকা শেষ সন্দেহটুকুও দূর করে দিয়েছে- ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে কি না, সে প্রশ্ন আর নেই।

‘তারেক রহমানের পরিকল্পনার ওপর নজর রাখবে জামায়াত’
তিনি লেখেন, মৌসুমের সবচেয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। এটি ছিল নির্বাচনের জন্য দেশের প্রস্তুতির স্পষ্ট প্রমাণ।

শফিকুল আলম লেখেন, এক-দুদিনের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে। এরপর হাজার হাজার প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাবেন। ছাপাখানাগুলো পুরোদমে চালু হবে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শুরু হবে নির্বাচনকেন্দ্রিক বিতর্ক, যার প্রতিধ্বনি পৌঁছে যাবে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত।

স্ট্যাটাসের শেষে তিনি লিখেন, বাংলাদেশ গভীর ক্ষত বহন করছে। একটি ক্রমেই প্রশস্ত হয়ে চলা বিভাজন, যা নিরাময় করতে পারে একমাত্র একটি সত্যিকার অর্থে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন।