ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মিরপুরস্থ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন – মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন Logo অসুস্থ হজযাত্রীর খোঁজ নিতে রাতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ Logo অপহরণ মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার, কিশোরী উদ্ধার — বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার দৃশ্য সিসিটিভিতে। Logo জালিয়াতির মাধ্যমে রূপায়ণ হাউজিংয়ের নকশা অনুমোদন দুদকের জালে রাজউকের ৪৬ কর্মকর্তা Logo ইলেক্ট্রিক স্কুল বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দিল এনবিআর Logo কার্যক্রম: নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার জন্য ২ শতাধিক ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিলো ডিএনসিসি Logo ডেমরায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা পরিদর্শন করলেন শ্রমমন্ত্রী; তদন্ত কমিটি গঠন Logo ৬ বছর পর তামিম হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি Logo হাম ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার যথেষ্ট সক্ষম…স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন Logo বাউফলে বিনামূল্যে অসহায় মানুষের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন
প্রায় ২০০ পরিবার প্রভাবিত, কৃষকরা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায়

মধ্যনগরে গভীর রাতে কালবৈশাখী তাণ্ডব, শিলাবৃষ্টিতে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত; ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় গত ১৪ মার্চ ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আঘাতে চারটি ইউনিয়নের প্রায় ২০০টি পরিবারের বসতঘর ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল শিলাবৃষ্টির আঘাত বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
রাতভর হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টি ভোর প্রায় ৫টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের শিলা পড়ে, ফলে অনেক ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে যায় এবং কিছু ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় কৃষকরা ফসলেরও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা মো. শাজাহান বলেন, “শিলাবৃষ্টির কারণে আমার ঘরের টিনের চাল পুরোপুরি ছিদ্র হয়ে গেছে। আমার একটি মাত্র ঘরই ছিল সম্বল। আমি একজন হতদরিদ্র মানুষ, আমার নিজের কোনো জায়গা-জমি নেই। খাস জমিতে থাকি। থাকার মতো ছোট এই ঘরটিই ছিল, গত রাতের শিলাবৃষ্টিতে সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। এখন কীভাবে থাকব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”
১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রাথমিক একটি তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, “ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করেছে। দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারগুলোর সহায়তার জন্য ৬,০০০ মেট্রিক টন জিআর চাল ও ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।”
উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

মিরপুরস্থ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন – মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

প্রায় ২০০ পরিবার প্রভাবিত, কৃষকরা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায়

মধ্যনগরে গভীর রাতে কালবৈশাখী তাণ্ডব, শিলাবৃষ্টিতে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত; ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা।

আপডেট সময় ০৬:২৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় গত ১৪ মার্চ ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আঘাতে চারটি ইউনিয়নের প্রায় ২০০টি পরিবারের বসতঘর ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঝড়ো হাওয়া ও প্রবল শিলাবৃষ্টির আঘাত বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
রাতভর হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টি ভোর প্রায় ৫টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের শিলা পড়ে, ফলে অনেক ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে যায় এবং কিছু ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় কৃষকরা ফসলেরও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা মো. শাজাহান বলেন, “শিলাবৃষ্টির কারণে আমার ঘরের টিনের চাল পুরোপুরি ছিদ্র হয়ে গেছে। আমার একটি মাত্র ঘরই ছিল সম্বল। আমি একজন হতদরিদ্র মানুষ, আমার নিজের কোনো জায়গা-জমি নেই। খাস জমিতে থাকি। থাকার মতো ছোট এই ঘরটিই ছিল, গত রাতের শিলাবৃষ্টিতে সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। এখন কীভাবে থাকব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”
১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রাথমিক একটি তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, “ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করেছে। দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারগুলোর সহায়তার জন্য ৬,০০০ মেট্রিক টন জিআর চাল ও ১০,০০,০০০ (দশ লাখ) টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।”
উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।