ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মধ্যনগরের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের চিরবিদায়। Logo জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বদলে যাবে ভাগ্য: মৌলভীবাজারে কাটাগাং খাল খননকাজে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী Logo কালিগঞ্জে সাংবাদিক সমিতি আয়োজনে   ইফতার ও দোয়া  অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo কালিগঞ্জে তেল মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও তেল জব্দ Logo কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত উদ্যোগের আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo চিফ হুইপ এর কাজ কি? Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে দায় প্রধানমন্ত্রীর – আখতার হোসেন Logo মধ্যনগরে গভীর রাতে কালবৈশাখী তাণ্ডব, শিলাবৃষ্টিতে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত; ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা। Logo ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে কাস্টমস হাউস, চট্রগ্রাম
লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত উদ্যোগের আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৮ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির  বলেছেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো, বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করছে।

আজ রবিবার (১৫ মার্চ) চট্টগ্রামে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, সরকার কেবল কথার সরকার নয়—সরকার বাস্তব ফলাফল দেখাতে চায়। প্রতি বছর দেশে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ নতুন মানুষ কর্মক্ষম বয়সে প্রবেশ করছে। তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন, আর সেই বিনিয়োগ আনতে হলে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বলা হলেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। তাই বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয় করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও ডিরেগুলেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ঈদের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবার বৈঠক করা হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্যানার সমস্যা, কন্টেইনার জটসহ ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জটিলতা দ্রুত সমাধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দ্রুত বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে এবং এর সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সুশাসনের ঘাটতি দীর্ঘদিন চলতে পারে না উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের দেশে প্রশাসনিক দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে তা দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট অনুযায়ী সরকার ফলাফল দেখাতে বদ্ধপরিকর।

চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্রগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাস্টমস ও বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যনগরের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের চিরবিদায়।

লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত উদ্যোগের আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০১:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

আলী আহসান রবি : বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির  বলেছেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো, বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করছে।

আজ রবিবার (১৫ মার্চ) চট্টগ্রামে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, সরকার কেবল কথার সরকার নয়—সরকার বাস্তব ফলাফল দেখাতে চায়। প্রতি বছর দেশে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ নতুন মানুষ কর্মক্ষম বয়সে প্রবেশ করছে। তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন, আর সেই বিনিয়োগ আনতে হলে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বলা হলেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। তাই বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয় করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার ও ডিরেগুলেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ঈদের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবার বৈঠক করা হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্যানার সমস্যা, কন্টেইনার জটসহ ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জটিলতা দ্রুত সমাধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দ্রুত বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে এবং এর সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সুশাসনের ঘাটতি দীর্ঘদিন চলতে পারে না উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের দেশে প্রশাসনিক দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে তা দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট অনুযায়ী সরকার ফলাফল দেখাতে বদ্ধপরিকর।

চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্রগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাস্টমস ও বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।