ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। Logo জার্মান সংসদ (Bundestag)-এর পরিবেশ কমিটির প্রতিনিধিদলের সাথে পরিবেশ মন্ত্রীর বৈঠক Logo শিক্ষা সচিব বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিতের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন Logo রাঙ্গামাটির দুর্গম বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৭৪ লিটার পেট্রোল জব্দ Logo কারওয়ান বাজার ও শান্তিনগরে বাণিজ্যমন্ত্রীর আকস্মিক বাজার পরিদর্শন Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মোঃ আবু তৈয়বকে আটক করেছে পুলিশ Logo রাণীশংকৈলে পিআইও কার্যালয়কে কেন্দ্র করে ছাত্রদল–গণঅধিকার নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন Logo মধ্যনগরে হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে মধ্যনগরে গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত। Logo তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জন গ্রেফতার Logo হয়রানিমুক্ত কার্গো ব্যবস্থাপনা ও দ্রুত  BG 202 (B789) এর হাইড্রলিক সিস্টেম মেইনটেন্যান্স সম্পন্ন করার নির্দেশনা বিমানমন্ত্রীর

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৯

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৮২ বার পড়া হয়েছে
শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ২০ ইস্ট বেংগল)
শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রম, ১৯৭৮ সালে ২০ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে পানছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ জুলাই ১৯৭৮ তারিখে পানছড়ি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, ২০ ইস্ট বেঙ্গল থেকে একজন অফিসার, একজন জেসিও এবং ৩৯ জন অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্য নিয়ে একটি টহল পাঠানো হয়। টহল দলটি লেফটেন্যান্ট মুস্তাফা হেলালের নেতৃত্বে তিনটি সেকশনে বিভক্ত ছিল, যেখানে নায়েক আফাজ উদ্দিন ছিলেন ৩ নম্বর সেকশনের সেকশন কমান্ডার।
ভোর ৪:৩০ ঘটিকায় দলটি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছায় এবং দুটি দলে বিভক্ত হয়। নায়েক আফাজ উদ্দিন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে শত্রুর অবস্থানকৃত কুঁড়েঘরের কাছে এগিয়ে যান। শত্রু পালানোর চেষ্টা করলে তিনি তাদের প্রতিহত করেন এবং সাহসের সাথে একজন শত্রুকে ধরে ফেলেন। শত্রুরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি গ্রেনেড ছুঁড়ে দেয়, যার স্পিন্টারে নায়েক আফাজ উদ্দিন আহত হন। তীব্র আঘাত সত্ত্বেও, তিনি তাঁর এসএমজি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া শত্রুদের উপর গুলি চালান এবং তাদের তাড়া করেন। তার ডান বুকের নীচে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, তবুও তিনি অপারেশন চালিয়ে যান।
নায়েক আফাজ উদ্দিনকে দ্রুত পানছড়ি ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হলেও তিনি একইদিন ভোর ৬:৪৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের জন্য তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক “বীর বিক্রম” খেতাবে ভূষিত হন।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৯

আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রম, ইস্ট বেঙ্গল (তৎকালীন ইউনিট ২০ ইস্ট বেংগল)
শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রম, ১৯৭৮ সালে ২০ ইস্ট বেঙ্গল এর সাথে পানছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ জুলাই ১৯৭৮ তারিখে পানছড়ি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, ২০ ইস্ট বেঙ্গল থেকে একজন অফিসার, একজন জেসিও এবং ৩৯ জন অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্য নিয়ে একটি টহল পাঠানো হয়। টহল দলটি লেফটেন্যান্ট মুস্তাফা হেলালের নেতৃত্বে তিনটি সেকশনে বিভক্ত ছিল, যেখানে নায়েক আফাজ উদ্দিন ছিলেন ৩ নম্বর সেকশনের সেকশন কমান্ডার।
ভোর ৪:৩০ ঘটিকায় দলটি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছায় এবং দুটি দলে বিভক্ত হয়। নায়েক আফাজ উদ্দিন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে শত্রুর অবস্থানকৃত কুঁড়েঘরের কাছে এগিয়ে যান। শত্রু পালানোর চেষ্টা করলে তিনি তাদের প্রতিহত করেন এবং সাহসের সাথে একজন শত্রুকে ধরে ফেলেন। শত্রুরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি গ্রেনেড ছুঁড়ে দেয়, যার স্পিন্টারে নায়েক আফাজ উদ্দিন আহত হন। তীব্র আঘাত সত্ত্বেও, তিনি তাঁর এসএমজি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া শত্রুদের উপর গুলি চালান এবং তাদের তাড়া করেন। তার ডান বুকের নীচে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, তবুও তিনি অপারেশন চালিয়ে যান।
নায়েক আফাজ উদ্দিনকে দ্রুত পানছড়ি ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হলেও তিনি একইদিন ভোর ৬:৪৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের জন্য তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক “বীর বিক্রম” খেতাবে ভূষিত হন।