ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাতক্ষীরার আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম Logo ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং ওরফে ডেঞ্জার গ্যাং এর ১৬ জন আটক Logo ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলখানার অন্য রকম এক চিত্র Logo কালিগঞ্জের কিষান মজদূর একাডেমী’র হীরক জয়ন্তী উদযাপন হয়েছে Logo আনন্দ-উচ্ছ্বাসে নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঈদ পুনর্মিলনী Logo কালিগঞ্জেে দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ১ম পুনমিলনী অনুষ্ঠিত Logo বাউফলে আজ ১৪ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদ উৎসব Logo জাতীয় ঈদগাহ কেন্দ্রিক থাকবে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার Logo মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

এক ব্রকলির তিন কার্ড (ফুল)

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

শেকৃবি প্রতিনিধি, মোঃ রানা ইসলাম: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের একটি রিসার্চটিম স্বল্প জায়গায় মাঠ পর্যায়ে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করতে কাজ করে যাচ্ছেন । গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন  বিগত কয়েক বছর যাবত একটি রিসার্চ টিম তৈরি করে চাষাবাদ ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন এর মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন বৃদ্ধি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরপর তিন বছর যাবত তিনি তাঁর এম এস এর শিক্ষা্র্থীদের  দিয়ে এই গবেষণা করে সুফল পেয়েছেন যার মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব  বৃদ্ধি করা সম্ভব। গবেষণা দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত ব্রোকলির একটি গাছ থেকে একটি প্রধান কার্ড বা ফুল পেয়ে থাকে। ব্রোকলির পুষ্টিগুণ ফুলকপির চেয়ে বেশি হবার কারণে প্রতিনিয়ত ব্রোকলির চাহিদা আমাদের দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে লক্ষে আমাদের রিসার্চ টিম গত তিন বছর ধরে গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে কিছু গাছের পিনচিং করে দিয়ে আসছিলেন। পিনচিংকৃত গাছগুলো থেকে একাধিক শাঁখা হচ্ছিল যার তিনটি সবল শাখা তারা রেখে দিয়েছিলেন। পর্যবেক্ষণে তারা দেখতে পেয়েছেন প্রতিটি গাছের শাখায় ১ টি করে মোট ৩ টি ব্রোকলি পেয়েছেন। অন্যদিকে যে গাছগুলোতে পিনচিং করা হয়নি সেই গাছ থেকে একটি ব্রোকলি পান তারা যার গড় ওজন ৩৫০-৪০০ গ্রাম। আর পিনচিং করা গাছ থেকে ৩ টি ব্রোকলি সংগ্রহ করতে পেরেছেন যার গড় ওজন ২৫০-৩০০ গ্রাম এবং একটি ব্রোকলি গাছ হতে সংগৃহীত মোট ওজন প্রায় ৭৫০-৮০০ গ্রাম যা ফলনের দিক থেকে প্রায় দ্বিগুন। তিনি আরো বলেন, পিনচিংকৃত প্রতিটি গাছ থেকে ৩ টি করে ব্রোকলি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে পারলে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে বড় আকারের ব্রোকলির চাহিদা বাজারে কম থাকে সেইদিক বিবেচনা করেও পিনচিংকৃত ব্রোকলির চাহিদা বাজারে বেশি হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম

এক ব্রকলির তিন কার্ড (ফুল)

আপডেট সময় ০১:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শেকৃবি প্রতিনিধি, মোঃ রানা ইসলাম: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের একটি রিসার্চটিম স্বল্প জায়গায় মাঠ পর্যায়ে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করতে কাজ করে যাচ্ছেন । গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন  বিগত কয়েক বছর যাবত একটি রিসার্চ টিম তৈরি করে চাষাবাদ ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন এর মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন বৃদ্ধি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরপর তিন বছর যাবত তিনি তাঁর এম এস এর শিক্ষা্র্থীদের  দিয়ে এই গবেষণা করে সুফল পেয়েছেন যার মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব  বৃদ্ধি করা সম্ভব। গবেষণা দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত ব্রোকলির একটি গাছ থেকে একটি প্রধান কার্ড বা ফুল পেয়ে থাকে। ব্রোকলির পুষ্টিগুণ ফুলকপির চেয়ে বেশি হবার কারণে প্রতিনিয়ত ব্রোকলির চাহিদা আমাদের দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে লক্ষে আমাদের রিসার্চ টিম গত তিন বছর ধরে গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে কিছু গাছের পিনচিং করে দিয়ে আসছিলেন। পিনচিংকৃত গাছগুলো থেকে একাধিক শাঁখা হচ্ছিল যার তিনটি সবল শাখা তারা রেখে দিয়েছিলেন। পর্যবেক্ষণে তারা দেখতে পেয়েছেন প্রতিটি গাছের শাখায় ১ টি করে মোট ৩ টি ব্রোকলি পেয়েছেন। অন্যদিকে যে গাছগুলোতে পিনচিং করা হয়নি সেই গাছ থেকে একটি ব্রোকলি পান তারা যার গড় ওজন ৩৫০-৪০০ গ্রাম। আর পিনচিং করা গাছ থেকে ৩ টি ব্রোকলি সংগ্রহ করতে পেরেছেন যার গড় ওজন ২৫০-৩০০ গ্রাম এবং একটি ব্রোকলি গাছ হতে সংগৃহীত মোট ওজন প্রায় ৭৫০-৮০০ গ্রাম যা ফলনের দিক থেকে প্রায় দ্বিগুন। তিনি আরো বলেন, পিনচিংকৃত প্রতিটি গাছ থেকে ৩ টি করে ব্রোকলি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে পারলে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে বড় আকারের ব্রোকলির চাহিদা বাজারে কম থাকে সেইদিক বিবেচনা করেও পিনচিংকৃত ব্রোকলির চাহিদা বাজারে বেশি হবে।