ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভিয়েনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা Logo কিশোরগঞ্জে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা বাচ্চু মিয়ার পরিবারের পাশে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আর্থিক সহায়তা প্রদান ও বাসস্থানের ঘোষণা Logo জনগুরুত্ব বিবেচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার – সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যেই চালু হলো সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আইসিইউ  Logo মধ্যনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম এর দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন। Logo প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী Logo গাবতলি বাস টার্মিনালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন আইজিপি ও ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার Logo বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ঘোষণা Logo বাংলাদেশ-ফ্রান্স গভীর ও গতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্নবীকরণ করেছে Logo পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ অনুদান ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাছে ডিএসসিসির ঈদ অনুদান হস্তান্তর করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক 

এক ব্রকলির তিন কার্ড (ফুল)

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

শেকৃবি প্রতিনিধি, মোঃ রানা ইসলাম: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের একটি রিসার্চটিম স্বল্প জায়গায় মাঠ পর্যায়ে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করতে কাজ করে যাচ্ছেন । গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন  বিগত কয়েক বছর যাবত একটি রিসার্চ টিম তৈরি করে চাষাবাদ ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন এর মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন বৃদ্ধি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরপর তিন বছর যাবত তিনি তাঁর এম এস এর শিক্ষা্র্থীদের  দিয়ে এই গবেষণা করে সুফল পেয়েছেন যার মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব  বৃদ্ধি করা সম্ভব। গবেষণা দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত ব্রোকলির একটি গাছ থেকে একটি প্রধান কার্ড বা ফুল পেয়ে থাকে। ব্রোকলির পুষ্টিগুণ ফুলকপির চেয়ে বেশি হবার কারণে প্রতিনিয়ত ব্রোকলির চাহিদা আমাদের দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে লক্ষে আমাদের রিসার্চ টিম গত তিন বছর ধরে গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে কিছু গাছের পিনচিং করে দিয়ে আসছিলেন। পিনচিংকৃত গাছগুলো থেকে একাধিক শাঁখা হচ্ছিল যার তিনটি সবল শাখা তারা রেখে দিয়েছিলেন। পর্যবেক্ষণে তারা দেখতে পেয়েছেন প্রতিটি গাছের শাখায় ১ টি করে মোট ৩ টি ব্রোকলি পেয়েছেন। অন্যদিকে যে গাছগুলোতে পিনচিং করা হয়নি সেই গাছ থেকে একটি ব্রোকলি পান তারা যার গড় ওজন ৩৫০-৪০০ গ্রাম। আর পিনচিং করা গাছ থেকে ৩ টি ব্রোকলি সংগ্রহ করতে পেরেছেন যার গড় ওজন ২৫০-৩০০ গ্রাম এবং একটি ব্রোকলি গাছ হতে সংগৃহীত মোট ওজন প্রায় ৭৫০-৮০০ গ্রাম যা ফলনের দিক থেকে প্রায় দ্বিগুন। তিনি আরো বলেন, পিনচিংকৃত প্রতিটি গাছ থেকে ৩ টি করে ব্রোকলি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে পারলে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে বড় আকারের ব্রোকলির চাহিদা বাজারে কম থাকে সেইদিক বিবেচনা করেও পিনচিংকৃত ব্রোকলির চাহিদা বাজারে বেশি হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিয়েনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা

এক ব্রকলির তিন কার্ড (ফুল)

আপডেট সময় ০১:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শেকৃবি প্রতিনিধি, মোঃ রানা ইসলাম: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের একটি রিসার্চটিম স্বল্প জায়গায় মাঠ পর্যায়ে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করতে কাজ করে যাচ্ছেন । গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন  বিগত কয়েক বছর যাবত একটি রিসার্চ টিম তৈরি করে চাষাবাদ ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন এর মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন বৃদ্ধি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরপর তিন বছর যাবত তিনি তাঁর এম এস এর শিক্ষা্র্থীদের  দিয়ে এই গবেষণা করে সুফল পেয়েছেন যার মাধ্যমে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব  বৃদ্ধি করা সম্ভব। গবেষণা দলের প্রধান প্রফেসর ড জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে সাধারণত ব্রোকলির একটি গাছ থেকে একটি প্রধান কার্ড বা ফুল পেয়ে থাকে। ব্রোকলির পুষ্টিগুণ ফুলকপির চেয়ে বেশি হবার কারণে প্রতিনিয়ত ব্রোকলির চাহিদা আমাদের দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে লক্ষে আমাদের রিসার্চ টিম গত তিন বছর ধরে গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে কিছু গাছের পিনচিং করে দিয়ে আসছিলেন। পিনচিংকৃত গাছগুলো থেকে একাধিক শাঁখা হচ্ছিল যার তিনটি সবল শাখা তারা রেখে দিয়েছিলেন। পর্যবেক্ষণে তারা দেখতে পেয়েছেন প্রতিটি গাছের শাখায় ১ টি করে মোট ৩ টি ব্রোকলি পেয়েছেন। অন্যদিকে যে গাছগুলোতে পিনচিং করা হয়নি সেই গাছ থেকে একটি ব্রোকলি পান তারা যার গড় ওজন ৩৫০-৪০০ গ্রাম। আর পিনচিং করা গাছ থেকে ৩ টি ব্রোকলি সংগ্রহ করতে পেরেছেন যার গড় ওজন ২৫০-৩০০ গ্রাম এবং একটি ব্রোকলি গাছ হতে সংগৃহীত মোট ওজন প্রায় ৭৫০-৮০০ গ্রাম যা ফলনের দিক থেকে প্রায় দ্বিগুন। তিনি আরো বলেন, পিনচিংকৃত প্রতিটি গাছ থেকে ৩ টি করে ব্রোকলি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে পারলে ব্রোকলির ফলন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে বড় আকারের ব্রোকলির চাহিদা বাজারে কম থাকে সেইদিক বিবেচনা করেও পিনচিংকৃত ব্রোকলির চাহিদা বাজারে বেশি হবে।