ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo लकी सेलिब्रिटी ऑनलाइन कैसीनो में विशेष गेम – मलेशिया के सर्वश्रेष्ठ विकल्प Logo মধ্যনগরে নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানার উচ্ছেদ অভিযান। Logo Analýza profesionálů wingaga a sportovců z místního kasina WinGaga pro rok 2025 Logo Nejlepší online kasina bez bonusu vkladu v Americe v wingaga recenze roce 2025 Logo BET+ Programs on google Enjoy Logo জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্র সহ যেকোন সময় যেকোন স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন – স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন করা ৮ জুলাই শহীদের পরিচয় শনাক্ত – মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম Logo ৩০০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) Logo ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬ Logo বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোকবার্তা হস্তান্তর
বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

लकी सेलिब्रिटी ऑनलाइन कैसीनो में विशेष गेम – मलेशिया के सर्वश्रेष्ठ विकल्प

বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।