ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।