ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo Poultry Street during the Valor Gambling enterprise Play the Ultimate Crash Games within the India Logo সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচার কালে সেন্টমার্টিন সংলগ্ন সাগর এলাকায় নৌবাহিনীর অভিযানে আটক ২৭৩ জন Logo ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে তথ্য বর্ণনা করা হলো Logo শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করল বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি Logo সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (SOC) চালু করল এনবিআর Logo উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১১ জন গ্রেফতার Logo দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই, বর্তমান খাদ্য মজুদ অত্যান্ত সন্তোষজনক – আলী ইমাম মজুমদার। Logo নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo বন্ধ হবে না এনইআইআর, শুল্ক কমানো হয়েছে – ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব Logo বোরো মৌসুমে হাওরাঞ্চলে নিয়ন্ত্রিত বালাইনাশক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

Poultry Street during the Valor Gambling enterprise Play the Ultimate Crash Games within the India

বিস্ফোরণ ও যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে খ্রিস্টানরা সীমিতভাবে ধর্মীয় আচার পালন করেছে।

গাজায় বড়দিনে উৎসব ম্লান, বোমার শব্দ ও ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রার্থনা।

আপডেট সময় ০২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শব্দ ও আকাশে ড্রোনের গুঞ্জনের মধ্যে গাজায় বড়দিন পালন করেছে ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়। আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বড়দিনের আগের রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের পাশে শিশুদের নিয়ে হাঁটতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। চারপাশে যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন থাকায় বড়দিনের কোনো উৎসবের পরিবেশ সেখানে লক্ষ্য করা যায়নি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, গাজাজুড়ে থাকা অধিকাংশ গির্জা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করেছে অথবা বাতিল করেছে। বড় কোনো ধর্মীয় জমায়েতের পরিবর্তে গির্জার ভেতরে ছোট পরিসরে প্রার্থনা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালন করা হয়েছে। তার ভাষায়, সেখানে প্রকৃত অর্থে কোনো উৎসবের আবহ ছিল না।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সসহ ১৪টি দেশ পশ্চিম তীরে নতুন ১৯টি বসতি অনুমোদনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। দেশগুলো বলেছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে একই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় নিহত হন ১ হাজার ১৩৯ জন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।