
আলী আহসান রবি : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আজ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর সাথে যৌথভাবে যুব উদ্যোক্তা নীতি ২০২৫ এর জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (NAP) তৈরির জন্য একটি স্কোপিং ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই ডকুমেন্টটি স্বাক্ষরিত হয়। এই ডকুমেন্ট স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন UNDP-এর রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ গ্রোথ ক্লাস্টারের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি ও প্রধান সারদার এম আসাদুজ্জামান, এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস, পাশাপাশি তিন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং যুব অনুবিভাগের প্রধান ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর পক্ষে স্বাক্ষর করে প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস এবং ইউএনডিপি এর অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপেজেনটিভ সর্দার এম আসাদুজ্জামান। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ সরকারের যুব উদ্যোক্তা নীতি ২০২৫-কে কার্যকর, সময়ভিত্তিক এবং বাস্তবমুখী পদক্ষেপে রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দেশব্যাপী যুব-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ, উদ্ভাবন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ জোরদার করবে।
এসময়ে যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম বলেন, “এই জাতীয় কর্মপরিকল্পনা যুব উদ্যোক্তা নীতি ২০২৫ বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যুবদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থবহভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে এটি সহায়ক হবে।”
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রণীত জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি নীতিগত অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার হবে এবং সরকার, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের উদ্যোগসমূহকে একীভূত করা সম্ভব হবে। কর্মপরিকল্পনায় গ্রামীণ এলাকা ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত যুবসমাজের অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, “এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে যুবদের রাখার মাধ্যমে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি উদ্ভাবন, সহনশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার সম্ভাবনা তৈরি করবে, যা সারা দেশের কমিউনিটিগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।”
UNDP-এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি ও রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ গ্রোথ ক্লাস্টারের প্রধান, সারদার এম আসাদুজ্জামান বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রমাণভিত্তিক একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা প্রদান করতে UNDP প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগ যুব উদ্যোক্তা বিকাশে সমন্বয় জোরদার করবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করবে।”
নিজস্ব সংবাদ : 
















