ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন Logo বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ-এর প্রধান কার্যালয়ে ‘বিসিএসআইআর-এর গবেষণা ও উদ্ভাবন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo এবার ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  Logo আইসিসি সুবিচার করেনি, আসিফ নজরুল Logo আজ থেকে দেশের ৪১৯ টি উপজেলায়  অতিরিক্ত ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে Logo বিডা’র রেমিট্যান্স অনুমোদন সেবা এখন পুরোপুরি অনলাইনে Logo মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন  Logo অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২: পল্টন, যাত্রাবাড়ী, বনানী, বংশাল, কলাবাগান, রূপনগর ও মুগদা থানা কর্তৃক ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৭ (সাতান্ন) জন Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুমোদিত হয়েছে Logo দুইটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন ও ২১ রাউন্ড গুলিসহ একজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)
টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।