ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন। Logo সংঘের সঙ্গী সৎ হইলে স্বর্গে বাস, অসৎ হইলে সর্বনাশ Logo বাউফলে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ভস্মিভূত Logo শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগেই দেয়ালের জঙ্গিবাদী গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘোষণা এম বি কানিজের Logo আইএসডিই এর উদ্যোগে কিং সালমান মানবিক সহায়তায় ৬০ হাজার পরিবারে খাবার প্যাকেট বিতরণ হবে Logo লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছে ১৬৫ বাংলাদেশি নাগরিক Logo মতিঝিল স্টেশনে নতুন নিয়ম মেট্রোরেলে সিট দখল ঠেকাতে Logo তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সঠিক, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী Logo নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ীদের  বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ Logo নিরাপদ ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর পদক্ষেপ
টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫১ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী  জহির উদ্দিন স্বপন।

টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।