ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ-ফ্রান্স গভীর ও গতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্নবীকরণ করেছে Logo পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ অনুদান ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাছে ডিএসসিসির ঈদ অনুদান হস্তান্তর করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক  Logo উত্তরখানে ঈদগাহ্ ও খেলার মাঠ উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক Logo মধ্যনগরের বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে অসহায় হতদরিদ্র লোকদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ। Logo খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে – আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী Logo ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব Logo মধ্যনগরের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের চিরবিদায়। Logo জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বদলে যাবে ভাগ্য: মৌলভীবাজারে কাটাগাং খাল খননকাজে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী Logo কালিগঞ্জে সাংবাদিক সমিতি আয়োজনে   ইফতার ও দোয়া  অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo কালিগঞ্জে তেল মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও তেল জব্দ
টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-ফ্রান্স গভীর ও গতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্নবীকরণ করেছে

টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এক পুলিশ সদস্য; উন্নত চিকিৎসায় ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলে ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল মাসুম।

আপডেট সময় ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিসি) ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যের নাম মাসুম মিয়া। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। ২০২৫ সালে জুলাই মাসে টিআরসি থেকে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হন মাসুম। পরবর্তীতে চার মাসের প্রশিক্ষণের জন্য তিনি টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগ দেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, প্রশিক্ষণ চলাকালে অস্ত্রে গুলি ভরার সময় হঠাৎ ফায়ার হয়। এতে গুলিটি মাসুমের বুকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পরপরই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্ত্রে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে গুলি ভরার সময় ফায়ার হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফায়ারিং প্রশিক্ষণ চলাকালীন দুর্ঘটনাবশত তার বুকে গুলি লাগে।
এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের হেলথ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড পেনশন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক উজ্জামান জানান, পুলিশে যোগদানের পর মাসুম প্রশিক্ষণরত ছিলেন। সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, এই ফায়ারিং প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মাসুমের ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ করার কথা ছিল। দুর্ঘটনার পর তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় ফায়ারিং প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারিগরি ত্রুটি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।