ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার রুহুল হক সহ ৫৪ জনের জনের নামে হত্যা মামলা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
  • ৬৪৫ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আনারুল ইসলামকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সাংসদ, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এবং সাতক্ষীরার তৎকালীন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরসহ ৫৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে সাতক্ষীরার আমলী আদালত -৭ এ মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় বিচারক মো. মহিদুল ইসলাম মামলাটি ১৫৬(৩)/১৫৭ ধারা মোতাবেক এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে মামলাটি একজন সহকারি পুলিশ সুপার বা পুলিশ সুপার পদমর্যাদার তদন্তকারি কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস, বিভিন্ন থানায় কর্মরত পাঁচজন উপপরিদর্শক দুইজন সহকারি উপরিদর্শক, ২১ জন সিপাহী, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ওরফে সাহেব আলীসহ আওয়ামী লীগের ১৯ জন নেতা কর্মী ও দুই জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

Закачать 1xBet 13415611 официальная версия, лишать торрент

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার রুহুল হক সহ ৫৪ জনের জনের নামে হত্যা মামলা

আপডেট সময় ০২:২২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আনারুল ইসলামকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সাংসদ, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এবং সাতক্ষীরার তৎকালীন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরসহ ৫৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে সাতক্ষীরার আমলী আদালত -৭ এ মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় বিচারক মো. মহিদুল ইসলাম মামলাটি ১৫৬(৩)/১৫৭ ধারা মোতাবেক এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে মামলাটি একজন সহকারি পুলিশ সুপার বা পুলিশ সুপার পদমর্যাদার তদন্তকারি কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস, বিভিন্ন থানায় কর্মরত পাঁচজন উপপরিদর্শক দুইজন সহকারি উপরিদর্শক, ২১ জন সিপাহী, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ওরফে সাহেব আলীসহ আওয়ামী লীগের ১৯ জন নেতা কর্মী ও দুই জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী।