ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশীয় মেধায় প্রণীত নীতিগত রূপরেখাকে ‘লিভিং ডকুমেন্ট’ হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা

খাতে নীতি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা প্রণয়নে কমিটির অবদানকে কৃতজ্ঞতাশিক্ষা জানালেন শিক্ষা উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : শিক্ষা খাতে নীতি সংস্কার, কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দ, গবেষণা ও লিখন দল, এবং দাপ্তরিক ও সচিবালয়িক সহায়তা প্রদানকারী সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিখন-শেখানো কার্যক্রমের উৎকর্ষ সাধনের উদ্দেশ্যে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কনসালটেশন কমিটির ফাইনাল রিপোর্ট সাবমিশন বিষয়ক এক ডেসিমিনেশন সভা আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব রেহানা পারভীন-এর সভাপতিত্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১১:৩০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মাত্র তিন মাসের স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি জটিল ও বহুমাত্রিক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করায় কমিটির প্রত্যেক সদস্য অসাধারণ দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এই সময়সীমার মধ্যে কাজটি সম্পন্ন হওয়া সম্ভব হবে-এমন প্রত্যাশা শুরুতে খুব দৃঢ় ছিল না বলেও শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার উল্লেখ করেন। ফলে এই অর্জনকে শিক্ষা উপদেষ্টা বিশেষভাবে আনন্দের ও গর্বের বলে অভিহিত করেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার বলেন, প্রশাসনিক কাজের চাপের মধ্যেও কমিটি শিক্ষা খাতের মূল সমস্যাগুলোকে গভীরভাবে অনুধাবন করে গ্রাসরুট পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে অংশীজনদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তৈরি করেছে। শিক্ষক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের যেসব বিষয় আলোচনায় এসেছে, সেগুলো বাস্তব ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, শিক্ষা খাত কেবল একটি সেকেন্ডারি সেক্টর নয়, বরং জাতি গঠনের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু চাকরির উপযোগী করে গড়ে তোলাই নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা, সহনশীলতা, নৈতিক দৃঢ়তা এবং একটি উদার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই বলেও শিক্ষা উপদেষ্টা জানান।
বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান উদ্যোগটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় চাহিদা, দেশীয় মেধা ও দেশীয় শ্রমের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের পারিশ্রমিক বা আন্তর্জাতিক কনসালটেন্সির ওপর নির্ভর না করে দেশের নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের দক্ষতার ওপর আস্থা রেখে এই কাজটি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে এ ধরনের কাজের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচেতনভাবেই সেই পথ অনুসরণ করেনি।
কমিটির পক্ষ থেকে প্রণীত নীতিগত রূপরেখাকে একটি “লিভিং ডকুমেন্ট” হিসেবে বিবেচনা করার কথা জানানো হয়। আজকের আলোচনার ভিত্তিতে এই নথি আরও সমৃদ্ধ ও পরিমার্জিত করা হবে এবং অংশীজনদের কাছ থেকে চূড়ান্ত গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর এটি অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্টরা যাতে মতামত ও প্রস্তাব দিতে পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখা হবে।
বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা আরোও বলেন, ভবিষ্যতে সরকার ও নীতিনির্ধারকরা এই রূপরেখার আলোকে একটি শক্তিশালী আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানানো হয়-তারা যেন এই খাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে শুধু সম্পদ বরাদ্দ নয়, প্রয়োজনীয় কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
কমিটির আহ্বায়ক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কেবল পাঠ্যজ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্র নয়, এটি কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সংবেদনশীল সময়। তাই এই স্তরে বৈষম্য নিরসন ও শিক্ষার মানোন্নয়ন অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গঠিত কনসালটেশন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহেদা ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব মোর্শেদ, সাংবাদিক মো. মুসা মিয়া, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুর রহমান এবং আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ. কে. এম. মোস্তফা কামাল। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক অধিশাখার যুগ্মসচিব তরফদার মো. আক্তার জামীল।

সবশেষে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় উপস্থিত থাকতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেও বক্তব্য শেষ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশীয় মেধায় প্রণীত নীতিগত রূপরেখাকে ‘লিভিং ডকুমেন্ট’ হিসেবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা

খাতে নীতি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা প্রণয়নে কমিটির অবদানকে কৃতজ্ঞতাশিক্ষা জানালেন শিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:৫১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : শিক্ষা খাতে নীতি সংস্কার, কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দ, গবেষণা ও লিখন দল, এবং দাপ্তরিক ও সচিবালয়িক সহায়তা প্রদানকারী সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিখন-শেখানো কার্যক্রমের উৎকর্ষ সাধনের উদ্দেশ্যে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কনসালটেশন কমিটির ফাইনাল রিপোর্ট সাবমিশন বিষয়ক এক ডেসিমিনেশন সভা আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব রেহানা পারভীন-এর সভাপতিত্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১১:৩০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মাত্র তিন মাসের স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি জটিল ও বহুমাত্রিক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করায় কমিটির প্রত্যেক সদস্য অসাধারণ দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এই সময়সীমার মধ্যে কাজটি সম্পন্ন হওয়া সম্ভব হবে-এমন প্রত্যাশা শুরুতে খুব দৃঢ় ছিল না বলেও শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার উল্লেখ করেন। ফলে এই অর্জনকে শিক্ষা উপদেষ্টা বিশেষভাবে আনন্দের ও গর্বের বলে অভিহিত করেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার বলেন, প্রশাসনিক কাজের চাপের মধ্যেও কমিটি শিক্ষা খাতের মূল সমস্যাগুলোকে গভীরভাবে অনুধাবন করে গ্রাসরুট পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে অংশীজনদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তৈরি করেছে। শিক্ষক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের যেসব বিষয় আলোচনায় এসেছে, সেগুলো বাস্তব ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, শিক্ষা খাত কেবল একটি সেকেন্ডারি সেক্টর নয়, বরং জাতি গঠনের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু চাকরির উপযোগী করে গড়ে তোলাই নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা, সহনশীলতা, নৈতিক দৃঢ়তা এবং একটি উদার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই বলেও শিক্ষা উপদেষ্টা জানান।
বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান উদ্যোগটি সম্পূর্ণভাবে দেশীয় চাহিদা, দেশীয় মেধা ও দেশীয় শ্রমের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের পারিশ্রমিক বা আন্তর্জাতিক কনসালটেন্সির ওপর নির্ভর না করে দেশের নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের দক্ষতার ওপর আস্থা রেখে এই কাজটি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে এ ধরনের কাজের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচেতনভাবেই সেই পথ অনুসরণ করেনি।
কমিটির পক্ষ থেকে প্রণীত নীতিগত রূপরেখাকে একটি “লিভিং ডকুমেন্ট” হিসেবে বিবেচনা করার কথা জানানো হয়। আজকের আলোচনার ভিত্তিতে এই নথি আরও সমৃদ্ধ ও পরিমার্জিত করা হবে এবং অংশীজনদের কাছ থেকে চূড়ান্ত গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর এটি অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্টরা যাতে মতামত ও প্রস্তাব দিতে পারেন, সে ব্যবস্থাও রাখা হবে।
বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা আরোও বলেন, ভবিষ্যতে সরকার ও নীতিনির্ধারকরা এই রূপরেখার আলোকে একটি শক্তিশালী আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানানো হয়-তারা যেন এই খাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে শুধু সম্পদ বরাদ্দ নয়, প্রয়োজনীয় কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
কমিটির আহ্বায়ক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কেবল পাঠ্যজ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্র নয়, এটি কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সংবেদনশীল সময়। তাই এই স্তরে বৈষম্য নিরসন ও শিক্ষার মানোন্নয়ন অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গঠিত কনসালটেশন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহেদা ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব মোর্শেদ, সাংবাদিক মো. মুসা মিয়া, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুর রহমান এবং আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ. কে. এম. মোস্তফা কামাল। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক অধিশাখার যুগ্মসচিব তরফদার মো. আক্তার জামীল।

সবশেষে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় উপস্থিত থাকতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেও বক্তব্য শেষ করা হয়।