
ভোলা প্রতিনিধি।। ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির সমর্থকদের মাঝে পৃথক দুটি মারামারির ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দুইজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
শনিবার রাত ৮ টার পরে তজুমদ্দিন গোডাউন রোডের মারামারির ঘটনায় মেহেদী হাসান বলেন, খাল খননের টাকার বিষয়ে যুবদল নেতা ফরিদ উদ্দিন ফকিরের কাছে দক্ষিণ মাথায় ক্লাবে গেলে তিনি লোক দিয়ে আমাদের উপর হামলা করেন।
এবিষয়ে ফরিদ উদ্দিন ফকির বলেন, আড়ালিয়া গ্রামে খাল খনন ঠিকাদারের কাছে মেহেদী হাসান ও রাসেল দুইলাখ টাকা দাবী করলে তারা ৫০ হাজার দিবে বলে স্বীকার করে ১০ হাজার টাকা নগদ দেন। পরে কাজ শেষ করে ঠিকাদাররা কৌশলে ভেকু নিয়ে চলে যায়। আমি ঠিকাদারের স্থানীয় প্রতিনিধি হওয়ায় মেহেদী ও রাসেল লোকজন নিয়ে ক্লাবে এসে আমার কাছে টাকা দাবী করলে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় কয়েকজন আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান মারামারির ঘটনা ভিডিও করতে গেলে মেহেদী সমর্থকরা সাংবাদিক খন্দকার নিরব এর মাথায় আঘাত করে জখম করেন। এঘটনায় আহত খন্দকার নিরব (২৪), মোঃ আরিফ ফকির (৩০), মোঃ রাজীব (৩০), মেহেদী হাসান (২৫), আঃ আহাদ (২০) কে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপর ঘটনায় শশীগঞ্জ উত্তর বাজার জিয়া পরিষদের আবু সায়েম জানান, গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে জিয়া পরিষদের সদস্যদের সাথে কাজিকান্দি এলাকার একটি গ্রুপের মারামারির হয়। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জিয়া পরিষদের সদস্য মোঃ সিরাজ (২০) ও মোঃ মমিন (১৮) গুরুতর জখম হলে তাদেরকে প্রথমে তজুমদ্দিনে পরে ভোলায় নেয়া হয়।
তজুমদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ রাহাত হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা সন্ত্রাসী কায়দায় হাসপাতালে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে ভীতির সঞ্চার করেছে। আমরা আহত ৭ জনের ২ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেছি। বাকি ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি দিয়েছি এবং ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। ভর্তিরত ২ জনের মাথায় ব্যাপক আঘাত লাগায় এখনো যুক্তিপূর্ণ রয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার ডিউটি অফিসার জানান, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি।